আলোর কণা যদি বিচ্ছিন্ন হয় ,তাহলে যখন লাইট জ্বালানো হয়, আলোর কণাগুলো লাইট হতে বের হয় এবং লাইট বন্ধ করা হলে আলোর কণাগুলো কোথায় যায় ?যদি ঘরে কোন আলো বের হওয়ার স্থান‌ না‌ থাকে? - ScienceBee প্রশ্নোত্তর

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির প্রশ্নোত্তর দুনিয়ায় আপনাকে স্বাগতম! প্রশ্ন-উত্তর দিয়ে জিতে নিন পুরস্কার, বিস্তারিত এখানে দেখুন।

+2 টি ভোট
602 বার দেখা হয়েছে
"পদার্থবিজ্ঞান" বিভাগে করেছেন (160 পয়েন্ট)

3 উত্তর

0 টি ভোট
করেছেন (170 পয়েন্ট)
যখন আপনি আলো বন্ধ করেন, তখন বাতি আর ফোটন তৈরি করে না, ফলে নতুন কোনো আলো আর বের হয় না। আগে থেকে তৈরি হওয়া ফোটনগুলি খুব দ্রুত চারপাশে ছড়িয়ে পড়ে এবং সাধারণত দেয়াল, আসবাবপত্র, এবং অন্যান্য বস্তুর সাথে ধাক্কা খেয়ে শোষিত হয়ে যায়। সুতরাং, আলো বন্ধ করার পর আলোর কণাগুলি শোষিত হয়ে যায় বা কোনো কিছুতে ধাক্কা লেগে তাদের শক্তি হারিয়ে ফেলে।
0 টি ভোট
করেছেন (710 পয়েন্ট)

আলো কী এবং এর কণা কীভাবে কাজ করে?

আলোর কথা যখন বলি, তখন আমরা আসলে "ফোটন" (photon) নামের কণার কথা বলি। ফোটন হলো আলোর ক্ষুদ্রতম একক, যেটা শক্তির একটা প্যাকেটের মতো। এটা একটা কোয়ান্টাম কণা, যার মানে এটা কখনো কণার মতো আচরণ করে, আবার কখনো তরঙ্গের মতো। যখন তুমি একটা বাতি জ্বালাও, তখন বাতির ভেতরে বিদ্যুৎ শক্তি ইলেকট্রনকে উত্তেজিত করে, আর এই উত্তেজিত ইলেকট্রন যখন আবার স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে, তখন এটি শক্তি ছেড়ে দেয় ফোটন আকারে। এই ফোটনগুলোই আমরা আলো হিসেবে দেখি।

বাতি বন্ধ করলে ফোটন কোথায় যায়?

এখন তুমি যদি বাতিটা বন্ধ করে দাও, তাহলে বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হয়ে যায়। ফলে ইলেকট্রন আর উত্তেজিত হয় না, এবং ফোটন তৈরি হওয়া বন্ধ হয়ে যায়। যে ফোটনগুলো ইতিমধ্যে বেরিয়ে গেছে, তারা কিন্তু থেমে থাকে না। ফোটন সবসময় আলোর গতিতে (প্রায় ৩০০,০০০ কিলোমিটার প্রতি সেকেন্ড) চলে। তারা হয় কোনো কিছুর সাথে ধাক্কা খেয়ে শোষিত হয় (absorbed), নয়তো প্রতিফলিত হয় (reflected)।

ধরো, তুমি একটা ঘরে আছো, আর বাতি বন্ধ করে দিলে। যে ফোটনগুলো বাতি থেকে বেরিয়েছিল, তারা ঘরের দেয়াল, মেঝে, আসবাবপত্র—এসবের সাথে ধাক্কা খায়। যখন ধাক্কা খায়, তখন ফোটনের শক্তি ওই বস্তুর অণুতে চলে যায়। অণুগুলো এই শক্তি গ্রহণ করে একটু গরম হয়ে যায় (খুবই সামান্য, তুমি হয়তো বুঝতেও পারবে না)। এই প্রক্রিয়াটাকে বলে শোষণ (absorption)। তাই ফোটন কোথাও "যায়" না বলে, তার শক্তি বস্তুর মধ্যে রূপান্তরিত হয়ে যায়।

যদি ঘরে আলো বেরোনোর কোনো জায়গা না থাকে?

তোমার দ্বিতীয় প্রশ্নটা আরও মজার—যদি ঘরটা এমন হয় যে সেখানে আলো বেরোনোর কোনো জায়গা নেই, তাহলে কী হবে? ধরো, ঘরটা পুরোপুরি বন্ধ, কোনো জানালা নেই, দরজার ফাঁক নেই, এমনকি দেয়ালগুলো এমন যে কিছুই প্রতিফলিত করে না। এটা একটা আদর্শ পরিস্থিতি, যাকে আমরা "পারফেক্ট ব্ল্যাকবডি" (perfect blackbody) বলতে পারি। এমন ঘরে ফোটনগুলো দেয়ালের সাথে ধাক্কা খেয়ে পুরোপুরি শোষিত হয়ে যাবে। কোনো ফোটন বাকি থাকবে না, কারণ তারা ক্রমাগত দেয়ালে ধাক্কা খেয়ে শক্তি হারাবে।

বাস্তবে অবশ্য পুরোপুরি এমন ঘর হয় না। সাধারণত ঘরের দেয়াল, ছাদ, বা অন্য জিনিস আলোকে কিছুটা প্রতিফলিত করে। তাই বাতি বন্ধ করার পরও কয়েক মুহূর্তের জন্য ফোটনগুলো ঘরের মধ্যে এদিক-ওদিক ধাক্কা খেয়ে ঘুরতে থাকে, আর ধীরে ধীরে শোষিত হয়ে যায়।

0 টি ভোট
করেছেন (140 পয়েন্ট)

আলো একটি তরঙ্গ এবং কণিকা উভয় ধরনের ধর্মযুক্ত শক্তি (Photon)। যখন লাইট জ্বালানো হয়, তখন বৈদ্যুতিক শক্তি থেকে আলো উৎপন্ন হয় এবং ফোটন কণিকা বাতাসে সঞ্চারিত হয়ে দেয়ালে, বস্তুর উপর পড়ে প্রতিফলিত হয় বা শোষিত হয়। আলো বন্ধ করলে ফোটনের উৎস থেমে যায়, ফলে নতুন কোনো আলো নির্গত হয় না। আগের নির্গত ফোটনগুলো খুবই স্বল্প সময়ে (ns থেকে μs সময়সীমায়) পদার্থ দ্বারা শোষিত হয়ে যায়। সেজন্য আলো বন্ধ করার পর ঘরে কোনো আলো থাকে না।

রেফারেন্স (Reference):

  • Halliday, Resnick, Walker, Fundamentals of Physics, Chapter on Optics and Electromagnetic Waves.

  • Feynman, R.P. (1985). QED: The Strange Theory of Light and Matter – ব্যাখ্যা দেয় কিভাবে ফোটন কাজ করে।

সারাংশে: আলো বন্ধ করার পর ফোটন উৎপাদন থেমে যায় এবং আগের ফোটনগুলো খুব দ্রুত শোষিত হয়ে যায়, তাই ঘরে আলো থাকার কোনো সম্ভাবনা থাকে না।

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

+1 টি ভোট
1 উত্তর 391 বার দেখা হয়েছে

10,978 টি প্রশ্ন

18,699 টি উত্তর

4,751 টি মন্তব্য

902,367 জন সদস্য

129 জন অনলাইনে রয়েছে
2 জন সদস্য এবং 127 জন গেস্ট অনলাইনে
  1. WebNovaComVN

    120 পয়েন্ট

  2. tr88trade

    100 পয়েন্ট

  3. zowin3com

    100 পয়েন্ট

  4. bl5555555com

    100 পয়েন্ট

  5. 88betmba11

    100 পয়েন্ট

বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় উন্মুক্ত বিজ্ঞান প্রশ্নোত্তর সাইট সায়েন্স বী QnA তে আপনাকে স্বাগতম। এখানে যে কেউ প্রশ্ন, উত্তর দিতে পারে। উত্তর গ্রহণের ক্ষেত্রে অবশ্যই একাধিক সোর্স যাচাই করে নিবেন। অনেকগুলো, প্রায় ২০০+ এর উপর অনুত্তরিত প্রশ্ন থাকায় নতুন প্রশ্ন না করার এবং অনুত্তরিত প্রশ্ন গুলোর উত্তর দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। প্রতিটি উত্তরের জন্য ৪০ পয়েন্ট, যে সবচেয়ে বেশি উত্তর দিবে সে ২০০ পয়েন্ট বোনাস পাবে।


Science-bee-qna

সর্বাপেক্ষা জনপ্রিয় ট্যাগসমূহ

মানুষ পানি ঘুম পদার্থ - জীববিজ্ঞান চোখ পৃথিবী এইচএসসি-উদ্ভিদবিজ্ঞান এইচএসসি-প্রাণীবিজ্ঞান রোগ রাসায়নিক #ask শরীর রক্ত আলো #science মোবাইল ক্ষতি চুল চিকিৎসা পদার্থবিজ্ঞান কী প্রযুক্তি সূর্য মহাকাশ মাথা গণিত প্রাণী স্বাস্থ্য বৈজ্ঞানিক #biology পার্থক্য এইচএসসি-আইসিটি বিজ্ঞান খাওয়া গরম #জানতে শীতকাল ডিম বৃষ্টি চাঁদ কেন কারণ কাজ বিদ্যুৎ রাত রং সাপ মনোবিজ্ঞান শক্তি উপকারিতা লাল আগুন গাছ মস্তিষ্ক খাবার সাদা শব্দ আবিষ্কার দুধ মাছ উপায় ঠাণ্ডা হাত মশা স্বপ্ন ব্যাথা ভয় তাপমাত্রা বাতাস গ্রহ রসায়ন কালো গ্যাস পা উদ্ভিদ পাখি রঙ সমস্যা মন কি বিস্তারিত মেয়ে মৃত্যু বাচ্চা বাংলাদেশ বৈশিষ্ট্য ভাইরাস ব্যথা দাঁত হলুদ বিড়াল আকাশ সময় চার্জ অক্সিজেন গতি কান্না মুখ
...