হারপিক দিয়ে ঘষে গায়ের রংঝকঝকে তকতকে উজ্জ্বল করার ধারণাটি কেবল একটি ভ্রান্ত ধারণাই নয়, এটি একটি আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত।হারপিকে সক্রিয় উপাদান হিসেবে থাকে হাইড্রোক্লোরিক এসিড (HCl), যা একটি অত্যন্ত শক্তিশালী ক্ষয়কারী পদার্থ। এছাড়াও থাকে ক্যালসিয়াম কার্বোনেট (CaCO3)। যা ত্বকের সংস্পর্শে এলে মারাত্মক কেমিক্যাল বার্ন সৃষ্টি করতে পারে।এর ফলে ত্বকে প্রচণ্ড ব্যথা, লাল ভাব, চুলকানি, জ্বালাপোড়া এবং ফোসকা পড়তে পারে।হারপিকের ব্যবহার নির্দেশিকাতে স্পষ্টভাবে ত্বক, চোখ এবং কাপড়ের সংস্পর্শ এড়িয়ে চলতে বলা হয়েছে। টয়লেটের ফ্লোরের উপরিভাগ সাধারণত শক্ত এবং সিরামিকের তৈরি একটি নির্জীব বস্তু, যা অ্যাসিড সহ্য করতে পারে। কিন্তু মানুষের ত্বক একটি জীবন্ত এবং সংবেদনশীল অঙ্গ। টয়লেটে যা কাজ করে, তা মানুষের ত্বকে প্রয়োগ করলে সেটি ত্বককে ঝকঝকে তকতকে করার পরিবর্তে চিরস্থায়ীভাবে পুড়িয়ে দিতে পারে। যদি দুর্ঘটনাবশত হারপিক বা অন্য কোনো ক্লিনার ত্বকে লেগে যায়, তবে সাথে সাথে কমপক্ষে ১০ মিনিট পরিষ্কার এবং ঠান্ডা পানি দিয়ে জায়গাটি ধুয়ে ফেলতে হবে এবং প্রয়োজনে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।