BLACK HOLE এর অপর পাশে কি রয়েছে - ScienceBee প্রশ্নোত্তর

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির প্রশ্নোত্তর দুনিয়ায় আপনাকে স্বাগতম! প্রশ্ন-উত্তর দিয়ে জিতে নিন পুরস্কার, বিস্তারিত এখানে দেখুন।

+1 টি ভোট
177 বার দেখা হয়েছে
"পদার্থবিজ্ঞান" বিভাগে করেছেন (970 পয়েন্ট)

2 উত্তর

0 টি ভোট
করেছেন (5,060 পয়েন্ট)
ব্ল্যাক হোল বা কৃষ্ণগহ্বর হলো মহাশূন্যের এমন কিছু জায়গা, যেখানে মহাকর্ষবল আশপাশের সবকিছু টেনে তার কেন্দ্রে নিয়ে যায়। এমনকি আলোও টেনে নেয়। এ জন্যই একে ‘ব্ল্যাক’ বা কৃষ্ণ (কালো) বলে চিহ্নিত করা হয়। কারণ, সেখানে আলো শুধু ঢোকে, বেরোয় না। ফলে চোখে দৃশ্যমান হয় না। সামান্য জায়গায় অনেক বেশি পদার্থ ঘনীভূত হয় বলে এর বিরাট আকর্ষণশক্তি থাকে। কোনো বড় তারা (নক্ষত্র) দুমড়ে-মুচড়ে ভেঙে পড়ে নিজের কেন্দ্রে জড়ো হয়ে ব্ল্যাক হোলের উদ্ভব ঘটে। এ সময় সুপারনোভার সৃষ্টি হয়। সুপারনোভা হলো মহাশূন্যে নক্ষত্রের বিস্ফোরণ। নক্ষত্রের কিছু অংশ মহাকাশে ছড়িয়ে পড়ে। ব্ল্যাক হোল খুব ছোট। সূর্যের সমান বিশাল পদার্থে গঠিত ব্ল্যাক হোল মাত্র কয়েক মাইল চওড়া হতে পারে। প্রশ্ন ওঠে, ব্ল্যাক হোল থেকে কোনো আলো বাইরে আসতে না পারায় একে যদি দেখাই না যায়, তাহলে বিজ্ঞানীরা ব্ল্যাক হোল দেখে কী করে? এদের দেখার অন্য উপায় আছে। আশপাশের নক্ষত্রমণ্ডলী ও মহাজাগতিক গ্যাসীয় পদার্থের ওপর এর প্রবল মহাকর্ষবলের ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করে বিজ্ঞানীরা ব্ল্যাক হোলের অবস্থান সম্পর্কে জানতে পারেন। তবে অনেক বিজ্ঞানী বলেন, ব্ল্যাক হোলের অস্তিত্ব আছে কি না সন্দেহ। কারণ, না দেখা পর্যন্ত বিশ্বাস কী?
0 টি ভোট
করেছেন (4,260 পয়েন্ট)

ব্ল্যাক হোলের অপর পাশে কি রয়েছে তা এখনও একটি রহস্য। বিজ্ঞানীরা বিশ্বাস করেন যে ব্ল্যাক হোলের ভিতরে একটি অসীম ঘনত্বের এবং আকর্ষণের একটি অঞ্চল রয়েছে, যেখানে মহাবিশ্বের নিয়মগুলি আমাদের জানা নিয়মগুলির থেকে ভিন্ন। এই অঞ্চলটিকে "সিঙ্গুলারিটি" বলা হয়।

ব্ল্যাক হোলের অপর পাশে কি রয়েছে তার দুটি প্রধান সম্ভাব্য ব্যাখ্যা হল:

  • অন্য একটি মহাবিশ্ব: কিছু বিজ্ঞানী বিশ্বাস করেন যে ব্ল্যাক হোলের অপর পাশে অন্য একটি মহাবিশ্ব রয়েছে। এই মহাবিশ্বটি আমাদের মহাবিশ্বের সাথে সংযুক্ত হতে পারে, বা এটি সম্পূর্ণ ভিন্ন হতে পারে।
  • কিছুই না: অন্য কিছু বিজ্ঞানী বিশ্বাস করেন যে ব্ল্যাক হোলের অপর পাশে কিছুই নেই। এই ধারণাটি "চিরকালীন মৃত্যু" নামে পরিচিত।

ব্ল্যাক হোলের অপর পাশে কি রয়েছে তা নিশ্চিতভাবে জানার কোন উপায় নেই। এটি একটি প্রশ্ন যা বিজ্ঞানীরা শতাব্দী ধরে জিজ্ঞাসা করে আসছেন, এবং এটি সম্ভবত আরও অনেক বছরের জন্য একটি রহস্য থেকে যাবে।

ব্ল্যাক হোলের অপর পাশে কি রয়েছে তার উপর একটি সম্ভাব্য ব্যাখ্যা হল যে এটি অন্য একটি মহাবিশ্বের সাথে সংযুক্ত। এই ব্যাখ্যাটি "মাল্টিভার্স" তত্ত্বের উপর ভিত্তি করে তৈরি, যা বিশ্বাস করে যে আমাদের মহাবিশ্বের পাশাপাশি অসীম সংখ্যক অন্যান্য মহাবিশ্ব রয়েছে। যদি এই তত্ত্বটি সত্য হয়, তাহলে ব্ল্যাক হোলের ভিতরে একটি পোর্টাল থাকতে পারে যা আমাদের মহাবিশ্বকে অন্য একটি মহাবিশ্বের সাথে সংযুক্ত করে।

ব্ল্যাক হোলের অপর পাশে কি রয়েছে তার উপর আরেকটি সম্ভাব্য ব্যাখ্যা হল যে এটি কিছুই নেই। এই ব্যাখ্যাটি "চিরকালীন মৃত্যু" নামে পরিচিত। এই ধারণাটি হল যে ব্ল্যাক হোলের ভিতরে মহাবিশ্বের নিয়মগুলি এতটাই পরিবর্তিত হয় যে এমনকি আলোও পালাতে পারে না। এই ক্ষেত্রে, ব্ল্যাক হোলের ভিতরে প্রবেশ করা কোনও বস্তু বা তথ্য চিরকালের জন্য হারিয়ে যাবে।

ব্ল্যাক হোলের অপর পাশে কি রয়েছে তা একটি রহস্য যা বিজ্ঞানীরা শতাব্দী ধরে জিজ্ঞাসা করে আসছেন। এটি একটি প্রশ্ন যা সম্ভবত আরও অনেক বছরের জন্য একটি রহস্য থেকে যাবে। তবে, এই রহস্যটি বৈজ্ঞানিক গবেষণার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্দীপক, এবং এটি আমাদের মহাবিশ্ব সম্পর্কে আমাদের বোঝার জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সরবরাহ করতে পারে।

এখানে ব্ল্যাক হোলের অপর পাশে কি রয়েছে তার উপর কিছু অতিরিক্ত তথ্য রয়েছে:

  • ব্ল্যাক হোলের ভিতরে সময় কিভাবে কাজ করে তা এখনও অজানা। কিছু বিজ্ঞানী বিশ্বাস করেন যে সময় ব্ল্যাক হোলের ভিতরে বিপরীত দিকে কাজ করে, অন্যরা বিশ্বাস করেন যে সময় থেমে যায়।
  • ব্ল্যাক হোলের ভিতরে মহাকর্ষ কিভাবে কাজ করে তাও এখনও অজানা। কিছু বিজ্ঞানী বিশ্বাস করেন যে মহাকর্ষ ব্ল্যাক হোলের ভিতরে অসীম হয়ে যায়, অন্যরা বিশ্বাস করেন যে এটি কিছুভাবে সীমাবদ্ধ থাকে।
  • ব্ল্যাক হোলের ভিতরে কোনও বস্তু বা তথ্য কিভাবে আচরণ করে তাও এখনও অজানা। কিছু বিজ্ঞানী বিশ্বাস করেন যে ব্ল্যাক হোলের ভিতরে প্রবেশ করা কোনও বস্তু বা তথ্য চিরকালের জন্য হারিয়ে যাবে, অন্যরা বিশ্বাস করেন যে এটি অন্য কোনও স্থানে পুনরায় প্রদর্শিত হতে পারে।

ব্ল্যাক হোলের অপর পাশে কি রয়েছে তা একটি রহস্য যা বিজ্ঞানীদের জন্য একটি উত্তেজনাপূর্ণ চ্যালেঞ্জ। এই রহস্যটি সমাধান করার জন্য, বিজ্ঞানীরা আমাদের মহাবিশ্ব সম্পর্কে আমাদের বোঝার উন্নতি করবেন বলে আশা করছি।

আশা করছি আপনি উত্তরটি পেয়েছেন। ধন্যবাদ!

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

0 টি ভোট
2 টি উত্তর 198 বার দেখা হয়েছে
+1 টি ভোট
1 উত্তর 246 বার দেখা হয়েছে
0 টি ভোট
1 উত্তর 308 বার দেখা হয়েছে
17 মে 2022 "পদার্থবিজ্ঞান" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Tanvir Ahmed 1 (160 পয়েন্ট)

10,750 টি প্রশ্ন

18,409 টি উত্তর

4,732 টি মন্তব্য

244,530 জন সদস্য

25 জন অনলাইনে রয়েছে
0 জন সদস্য এবং 25 জন গেস্ট অনলাইনে
  1. MIS

    1390 পয়েন্ট

  2. shuvosheikh

    420 পয়েন্ট

  3. তানভীর রহমান ইমন

    160 পয়েন্ট

  4. unfortunately

    130 পয়েন্ট

  5. Muhammad_Alif

    130 পয়েন্ট

বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় উন্মুক্ত বিজ্ঞান প্রশ্নোত্তর সাইট সায়েন্স বী QnA তে আপনাকে স্বাগতম। এখানে যে কেউ প্রশ্ন, উত্তর দিতে পারে। উত্তর গ্রহণের ক্ষেত্রে অবশ্যই একাধিক সোর্স যাচাই করে নিবেন। অনেকগুলো, প্রায় ২০০+ এর উপর অনুত্তরিত প্রশ্ন থাকায় নতুন প্রশ্ন না করার এবং অনুত্তরিত প্রশ্ন গুলোর উত্তর দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। প্রতিটি উত্তরের জন্য ৪০ পয়েন্ট, যে সবচেয়ে বেশি উত্তর দিবে সে ২০০ পয়েন্ট বোনাস পাবে।


Science-bee-qna

সর্বাপেক্ষা জনপ্রিয় ট্যাগসমূহ

মানুষ পানি ঘুম পদার্থ - জীববিজ্ঞান এইচএসসি-উদ্ভিদবিজ্ঞান এইচএসসি-প্রাণীবিজ্ঞান পৃথিবী চোখ রোগ রাসায়নিক শরীর রক্ত আলো #ask মোবাইল ক্ষতি চুল কী চিকিৎসা পদার্থবিজ্ঞান সূর্য #science প্রযুক্তি স্বাস্থ্য প্রাণী বৈজ্ঞানিক মাথা গণিত মহাকাশ পার্থক্য এইচএসসি-আইসিটি #biology বিজ্ঞান খাওয়া গরম শীতকাল #জানতে কেন ডিম চাঁদ বৃষ্টি কারণ কাজ বিদ্যুৎ রাত রং উপকারিতা শক্তি লাল আগুন সাপ মনোবিজ্ঞান গাছ খাবার সাদা আবিষ্কার দুধ উপায় হাত মশা মাছ ঠাণ্ডা মস্তিষ্ক শব্দ ব্যাথা ভয় বাতাস স্বপ্ন তাপমাত্রা গ্রহ রসায়ন উদ্ভিদ কালো পা কি বিস্তারিত রঙ মন পাখি গ্যাস সমস্যা মেয়ে বৈশিষ্ট্য হলুদ বাচ্চা সময় ব্যথা মৃত্যু চার্জ অক্সিজেন ভাইরাস আকাশ গতি দাঁত আম হরমোন বাংলাদেশ বিড়াল
...