আধুনিক জীববিজ্ঞানের তথ্যানুযায়ী, মানুষ এবং গুইসাপের (বা অন্য কোনো প্রাণীর) শারীরিক সম্পর্কের মাধ্যমে কোনো 'ডেমি-হিউম্যান' (Demi-human) বা অর্ধেক মানুষ-অর্ধেক প্রাণীজাতীয় জীব তৈরি হওয়া সম্পূর্ণ অসম্ভব। এটি কেবল কল্পবিজ্ঞান, অ্যানিমে বা রূপকথাতেই দেখানো হয়, বাস্তবে এর কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। এই ধরনের চিন্তা ভাবনা মানুষের বিকৃত মানসিকতা বা এক ধরণের মানসিক ব্যাধি যাকে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় বেস্টিয়ালিটি (Bestiality) বা জূফিলিয়া (Zoophilia) বলা হয়।
যেকোনো দুটি ভিন্ন প্রজাতির মধ্যে প্রজনন বা সন্তান জন্মদানের জন্য তাদের ডিএনএ (DNA) এবং ক্রোমোজোমের সংখ্যা ও গঠনে মিল থাকতে হয়। মানুষের শরীরে ক্রোমোজোম থাকে ৪৬টি (২৩ জোড়া)। অন্যদিকে গুইসাপ বা সরীসৃপ জাতীয় প্রাণীদের ক্রোমোজোম সংখ্যা এবং ডিএনএ-র গঠন মানুষের চেয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন। এই বিশাল জেনেটিক দূরত্বের (Genetic Distance) কারণে মানুষের শুক্রাণু এবং গুইসাপের ডিম্বাণু কখনোই মিলিত হয়ে কোনো ভ্রূণ তৈরি করতে পারে না এবং পরবর্তী ধাপগুলো ও কখনো সম্ভব হয়ে উঠবে না।
সোর্সঃ https://www.sciencefocus.com/future-technology/human-animal-hybrids-can-we-justify-the-experiments