সিম কোম্পানিগুলো এতগুলো ইউনিক নাম্বার কিভাবে তৈরী/সংরক্ষণ করে? - ScienceBee প্রশ্নোত্তর

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির প্রশ্নোত্তর দুনিয়ায় আপনাকে স্বাগতম! প্রশ্ন-উত্তর দিয়ে জিতে নিন পুরস্কার, বিস্তারিত এখানে দেখুন।

0 টি ভোট
45 বার দেখা হয়েছে
"প্রযুক্তি" বিভাগে করেছেন (2,760 পয়েন্ট)

1 উত্তর

0 টি ভোট
করেছেন (2,760 পয়েন্ট)
কোটি কোটি মোবাইল নম্বর থাকার পরও একটি নম্বরের সাথে আরেকটি নম্বর না মেলার মূল কারণ হলো সিস্টেমেটিক কোডিং, আন্তর্জাতিক নিয়মনীতি এবং গাণিতিক পারমুটেশন (বিন্যাস)।

বিশ্বব্যাপী মোবাইল নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা জাতিসংঘের একটি সংস্থা ITU (International Telecommunication Union)-এর ‘E.164’ নামক নীতিমালা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। এই নিয়ম অনুযায়ী প্রতিটি দেশের একটি আলাদা কান্ট্রি কোড থাকে (যেমন বাংলাদেশের জন্য +৮৮০)। বিটিআরসি (BTRC) এই বৈশ্বিক নিয়ম মেনে দেশের ভেতর প্রতিটি অপারেটরকে নম্বর সিরিজ বরাদ্দ দেয়, যাতে অভ্যন্তরীণ বা আন্তর্জাতিক কোনো স্তরেই নম্বর ওভারল্যাপ বা একে অপরের সাথে মিলে না যায়।

প্রতিটি সিম কোম্পানির জন্য একটি নির্দিষ্ট কোড বা প্রিফিক্স বরাদ্দ থাকে। যেমন বাংলাদেশে:

* গ্রামীণফোন: ০১৭ বা ০১৩

* বাংলালিংক: ০১৯ বা ০১৪

* রবি: ০১৮

* এয়ারটেল: ০১৬

* টেলিটক: ০১৫

শুরুর এই ৩টি ডিজিট আলাদা হওয়ার কারণে, পরের অংশটি হুবহু এক হলেও পুরো নম্বরটি কখনো এক হয় না। উদাহরণস্বরূপ, একজনের নম্বর যদি ০১৭ ১২৩৪৫৬৭ হয়, তবে অন্য কোম্পানির গ্রাহকের নম্বর হবে ০১৯ ১২৩৪৫৬৭ বা ০১৮ ১২৩৪৫৬৭।

একটি ১১ ডিজিটের মোবাইল নম্বরের শুরুর ৩ ডিজিট (যেমন: ০১৭) নির্দিষ্ট থাকার পর বাকি থাকে আরও ৮টি ডিজিট। গণিতের নিয়ম অনুযায়ী, এই ৮টি খালি ঘরে ০ থেকে ৯ পর্যন্ত যেকোনো সংখ্যা বসিয়ে মোট ১০ কোটি (১০০,০০০,০০০) সম্পূর্ণ ইউনিক বা অনন্য নম্বর তৈরি করা সম্ভব। অর্থাৎ, শুধুমাত্র জিপি-র ০১৭ দিয়েই ১০ কোটি আলাদা গ্রাহককে নম্বর দেওয়া সম্ভব। একইভাবে ০১৩ দিয়ে আরও ১০ কোটি নম্বর তৈরি করা যায়। দেশের মোট জনসংখ্যার চেয়ে এই কোডিংয়ের ধারণক্ষমতা অনেক বেশি।

সিম কোম্পানিগুলোর একটি কেন্দ্রীয় ডাটাবেজ থাকে। একটি নম্বর যখন কম্পিউটারে তৈরি বা রেজিস্টার্ড হয়, তখন সেটি লক হয়ে যায়। একই নম্বর অন্য কাউকে দেওয়ার কোনো সুযোগ থাকে না। তবে কোনো সিম যদি টানা ১৫ মাস বা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত বন্ধ বা নিষ্ক্রিয় থাকে, তবে সরকারি নিয়ম মেনে সেই নম্বরটি ডাটাবেজ থেকে মুক্ত করে আবার নতুন গ্রাহকের কাছে বিক্রি করা হয় (যাকে নম্বর রিসাইক্লিং বলে)।

এভাবে, সুনির্দিষ্ট কোডিং বিন্যাস এবং গাণিতিক হিসাবের কারণেই কোটি কোটি নম্বরের মাঝেও প্রতিটি মোবাইল নম্বর সম্পূর্ণ আলাদা বা ইউনিক হয়।

 

সোর্সঃ https://www.itu.int/rec/t-rec-e.164/en

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

0 টি ভোট
1 উত্তর 447 বার দেখা হয়েছে
02 মে 2021 "প্রযুক্তি" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন PabonAhsanIvan (2,620 পয়েন্ট)
0 টি ভোট
2 টি উত্তর 445 বার দেখা হয়েছে
0 টি ভোট
1 উত্তর 1,355 বার দেখা হয়েছে
25 অক্টোবর 2021 "রসায়ন" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Anupom (15,280 পয়েন্ট)
+2 টি ভোট
1 উত্তর 1,161 বার দেখা হয়েছে
+8 টি ভোট
1 উত্তর 1,677 বার দেখা হয়েছে

11,004 টি প্রশ্ন

18,694 টি উত্তর

4,750 টি মন্তব্য

893,418 জন সদস্য

31 জন অনলাইনে রয়েছে
0 জন সদস্য এবং 31 জন গেস্ট অনলাইনে
  1. buyadd

    200 পয়েন্ট

  2. Singhalindutries002

    180 পয়েন্ট

  3. buy now

    160 পয়েন্ট

  4. singhal1

    140 পয়েন্ট

  5. EricaCarl

    140 পয়েন্ট

বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় উন্মুক্ত বিজ্ঞান প্রশ্নোত্তর সাইট সায়েন্স বী QnA তে আপনাকে স্বাগতম। এখানে যে কেউ প্রশ্ন, উত্তর দিতে পারে। উত্তর গ্রহণের ক্ষেত্রে অবশ্যই একাধিক সোর্স যাচাই করে নিবেন। অনেকগুলো, প্রায় ২০০+ এর উপর অনুত্তরিত প্রশ্ন থাকায় নতুন প্রশ্ন না করার এবং অনুত্তরিত প্রশ্ন গুলোর উত্তর দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। প্রতিটি উত্তরের জন্য ৪০ পয়েন্ট, যে সবচেয়ে বেশি উত্তর দিবে সে ২০০ পয়েন্ট বোনাস পাবে।


Science-bee-qna

সর্বাপেক্ষা জনপ্রিয় ট্যাগসমূহ

মানুষ পানি ঘুম পদার্থ - জীববিজ্ঞান চোখ পৃথিবী এইচএসসি-উদ্ভিদবিজ্ঞান এইচএসসি-প্রাণীবিজ্ঞান রোগ রাসায়নিক #ask শরীর রক্ত আলো মোবাইল #science ক্ষতি চুল চিকিৎসা পদার্থবিজ্ঞান কী প্রযুক্তি সূর্য মহাকাশ স্বাস্থ্য মাথা গণিত প্রাণী বৈজ্ঞানিক #biology পার্থক্য এইচএসসি-আইসিটি বিজ্ঞান খাওয়া গরম #জানতে শীতকাল ডিম বৃষ্টি চাঁদ কেন কারণ কাজ বিদ্যুৎ রাত রং সাপ মনোবিজ্ঞান শক্তি উপকারিতা লাল আগুন গাছ মস্তিষ্ক খাবার সাদা শব্দ আবিষ্কার দুধ মাছ উপায় ঠাণ্ডা হাত মশা স্বপ্ন ব্যাথা ভয় তাপমাত্রা বাতাস গ্রহ রসায়ন কালো গ্যাস পা উদ্ভিদ পাখি রঙ সমস্যা মন কি বিস্তারিত বাচ্চা মেয়ে মৃত্যু বাংলাদেশ বৈশিষ্ট্য ভাইরাস ব্যথা দাঁত হলুদ বিড়াল আকাশ সময় চার্জ অক্সিজেন গতি কান্না মুখ
...