চাদের কারণে পৃথিবিতে কেন জোয়ার ভাটা হয় বুঝিয়ে বলবেন [poll] - ScienceBee প্রশ্নোত্তর

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির প্রশ্নোত্তর দুনিয়ায় আপনাকে স্বাগতম! প্রশ্ন-উত্তর দিয়ে জিতে নিন পুরস্কার, বিস্তারিত এখানে দেখুন।

+18 টি ভোট
572 বার দেখা হয়েছে
"আইকিউ" বিভাগে করেছেন (10,860 পয়েন্ট)
### no choices found for poll!

2 উত্তর

+2 টি ভোট
করেছেন (10,860 পয়েন্ট)
Nishat Tasnim জোয়ার-ভাটা সংঘটিত হওয়ার মূখ্য কারণ হচ্ছে চন্দ্র-সূর্যের আকর্ষণ শক্তি। তবে জোয়ার-ভাটা সৃষ্টিতে চাঁদের আকর্ষণ বলই বেশী কাজ করে। বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক পরীক্ষায় দেখা গেছে, জোয়ার উৎপাদনের ক্ষেত্রে সূর্যের ক্ষমতা চাঁদের ক্ষমতার নয় ভাগের চার ভাগ। এছাড়াও জোয়ার-ভাটা সৃষ্টিতে আহ্নিক গতির প্রভাবও উল্লেখযোগ্য। আমরা সকলেই জানি, পৃথিবীতে দিনরাত্রি হওয়ার প্রধান কারণও এই আহ্নিক গতি। এই গতির ফলে সমুদ্র-স্রোতের দিক পরিবর্তন হয়। ফলে স্রোত যেদিকে প্রবাহিত হয় সেদিকে জোয়ার এবং যেদিক হতে প্রবাহিত হয় সেদিক ভাঁটার সৃষ্টি হয়। এছাড়াও পৃথিবীর আবর্তনের ফলে সৃষ্ট কেন্দ্রাতিগ শক্তি বা কেন্দ্রবিমুখী শক্তির ফলেও জোয়ার-ভাটা সৃষ্টি হতে পারে। কোনো স্থানে জোয়ার সৃষ্টির প্রায় ৬ ঘণ্টা ১৩ মিনিট পরে ভাটা সংঘটিত হতে পারে।

আমরা জানি, সূর্য চন্দ্র অপেক্ষা বহুগুণ বড়। কিন্তু দূরত্বের বেলায় চন্দ্র সূর্য হতে পৃথিবীর অনেক নিকটবর্তী। যেখানে সূর্যের গড় দূরত্ব পৃথিবী হতে ১৫ কি.মি. সেখানে চন্দ্রের গড় দূরত্ব মাত্র ৩৮.৪ লক্ষ কি.মি.। সুতরাং স্বাভাবিক ভাবেই সূর্য হতে চন্দ্রের আকর্ষণ শক্তি অনেক বেশী হবে। যার ফলে জোয়ার-ভাঁটা সৃষ্টিতে সূর্য অপেক্ষা চাঁদের প্রভাব বেশী।

জোয়ার প্রধানত দুই প্রকার।

(১)মুখ্য জোয়ার:

চাঁদ যখন পৃথিবীর চারদিকে আবর্তন করে তখন পৃথিবীর যে অংশ চাঁদের নিকটবর্তী হয়, সেই অংশে চাঁদের আকর্ষণের প্রভাবে পানি ফুলে উঠে তথা জোয়ারের সৃষ্টি হয়। এরূপ জোয়ারকে মুখ্য জোয়ার বলে। কোনো স্থানে একবার মুখ্য জোয়ার হওয়ার পর প্রায় ২৪ ঘণ্টা ৫২ মিনিট সময় অতিক্রম করলে পুনরায় সেখানে মুখ্য জোয়ার সৃষ্টি হয়।

(২)গৌণ জোয়ার:

চাঁদ পৃথিবীর যে পাশে আকর্ষণ করে তার ঠিক অপর পাশে জলরাশির ওপর মহাকর্ষ বল অনেকাংশে কমে যায় এর ফলে সে স্থানে কেন্দ্রাতিগ শক্তির সৃষ্টি হয়। ফলস্বরুপ চারদিকের পানি ঐ স্থানে এসে জোয়ারের সৃষ্টি করে। এরূপ সৃষ্ট জোয়ারকে গৌণ জোয়ার বলে।

মাঝে মাঝে চন্দ্র ও সূর্যের মিলিত আকর্ষণের জন্য জোয়ারের পানি অনেক বেশী ফুলে ওঠে। ফলে প্রবল জোয়ারের সৃষ্টি হয়, একে তেজ কটাল বলে। সাধারণত পৃথিবী, চন্দ্র ও সূর্য একই সরলরেখায় অবস্থান করলে তেজ কটালের সৃষ্টি হয়। অপরদিকে চন্দ্র ও সূর্য যখন পৃথিবীর সাথে এক সমকোণে থেকে পৃথিবীকে আকর্ষণ করে। তখন চাঁদের আকর্ষণ শক্তির প্রভাবে সেখানে জোয়ার হয় এবং সূর্যের আকর্ষণ শক্তির ফলে সেখানে ভাঁটা হয়। তবে চন্দ্রের আকর্ষণে যে জোয়ার হয়, সূর্যের আকর্ষণে তা বেশী স্ফীত হতে পারে না। এধরণের জোয়ার-ভাটাকে মরা কটাল বলে। সাধারণত অষ্টমীর তিথিতে মরা কটাল হয়। প্রতি এক মাসে দুইবার তেজ কটাল এবং দুইবার মরা কটাল হয়ে থাকে।
0 টি ভোট
করেছেন (43,470 পয়েন্ট)
আবার চাঁদ থেকে পানির দূরত্ব মাটি অপক্ষা বেশি থাকায় পানির ওপরে চাঁদের আকর্ষণ কম থাকে। ফলে সেখানকার পানি চারদিকে ছাপিয়ে ওঠে। এক্ষেত্রে ফুলে ওঠার ঘটনায় ঘটে। ফলে একই সময়ে চাঁদের দিকে এবং চাঁদের বিপরীত দিকে পৃথিবীর সমুদ্রপৃষ্ঠের পানির এই ফুলে উঠাকে জোয়ার বলে।

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

0 টি ভোট
1 উত্তর 61 বার দেখা হয়েছে
16 অক্টোবর 2021 "চিন্তা ও দক্ষতা" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Anupom (15,040 পয়েন্ট)
+13 টি ভোট
5 টি উত্তর 802 বার দেখা হয়েছে
+14 টি ভোট
2 টি উত্তর 273 বার দেখা হয়েছে
05 মার্চ 2019 জিজ্ঞাসা করেছেন Nadim (10,190 পয়েন্ট)

9,642 টি প্রশ্ন

16,094 টি উত্তর

4,577 টি মন্তব্য

131,721 জন সদস্য

65 জন অনলাইনে রয়েছে
7 জন সদস্য এবং 58 জন গেস্ট অনলাইনে
  1. synthia faiz sheyma

    140 পয়েন্ট

  2. রিমি

    140 পয়েন্ট

  3. Md. Taseen Alam

    130 পয়েন্ট

  4. Nushrat

    120 পয়েন্ট

  5. priyapatel

    120 পয়েন্ট

বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় উন্মুক্ত বিজ্ঞান প্রশ্নোত্তর সাইট সায়েন্স বী QnA তে আপনাকে স্বাগতম। এখানে যে কেউ প্রশ্ন, উত্তর দিতে পারে। উত্তর গ্রহণের ক্ষেত্রে অবশ্যই একাধিক সোর্স যাচাই করে নিবেন। অনেকগুলো, প্রায় ২০০+ এর উপর অনুত্তরিত প্রশ্ন থাকায় নতুন প্রশ্ন না করার এবং অনুত্তরিত প্রশ্ন গুলোর উত্তর দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। প্রতিটি উত্তরের জন্য ৪০ পয়েন্ট, যে সবচেয়ে বেশি উত্তর দিবে সে ২০০ পয়েন্ট বোনাস পাবে।


Science-bee-qna

সর্বাপেক্ষা জনপ্রিয় ট্যাগসমূহ

মানুষ পানি ঘুম এইচএসসি-উদ্ভিদবিজ্ঞান এইচএসসি-প্রাণীবিজ্ঞান - পৃথিবী জীববিজ্ঞান রোগ চোখ পদার্থ শরীর রক্ত আলো কী মোবাইল ক্ষতি চিকিৎসা চুল এইচএসসি-আইসিটি মহাকাশ পদার্থবিজ্ঞান বৈজ্ঞানিক মাথা সূর্য স্বাস্থ্য পার্থক্য প্রাণী প্রযুক্তি রাসায়নিক গণিত খাওয়া কেন ডিম বিজ্ঞান #biology গরম কারণ বৃষ্টি #জানতে #ask রং চাঁদ শীতকাল উপকারিতা আগুন কাজ বিদ্যুৎ সাদা লাল রাত সাপ উপায় শক্তি মনোবিজ্ঞান দুধ গাছ হাত ব্যাথা ভয় আবিষ্কার খাবার মশা শব্দ #science মাছ গ্রহ ঠাণ্ডা কি মস্তিষ্ক কালো পা বৈশিষ্ট্য স্বপ্ন সমস্যা উদ্ভিদ বাতাস রঙ হলুদ মন রসায়ন মেয়ে ভাইরাস আম বিস্তারিত পাতা আকাশ তাপমাত্রা ব্যথা ঔষধ পাখি মৃত্যু চার্জ দাঁত গ্যাস কান্না নাক হরমোন বিড়াল বাচ্চা
...