স্যাকারিন কী? - ScienceBee প্রশ্নোত্তর

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির প্রশ্নোত্তর দুনিয়ায় আপনাকে স্বাগতম! প্রশ্ন-উত্তর দিয়ে জিতে নিন পুরস্কার, বিস্তারিত এখানে দেখুন।

+1 টি ভোট
2,307 বার দেখা হয়েছে
"তত্ত্ব ও গবেষণা" বিভাগে করেছেন (141,850 পয়েন্ট)

2 উত্তর

+2 টি ভোট
করেছেন (141,850 পয়েন্ট)
নির্বাচিত করেছেন
 
সর্বোত্তম উত্তর

স্যাকারিন- এই স্যাকারিন শব্দটি শুনেনি, এমন মানুষ খুব কমই আছে। রাসায়নিক গঠনানুসারে স্যাকারিনের নাম-
"anhydroorthosulphaminebenzoic acid". কিন্তু এমন নাম উচ্চারণ করা আর হাতুড়ি দিয়ে  দাঁত ভাংগা একই কথা।  তাই এর আবিষ্কারক এর নামকরণ করেন Saccharin যা এসেছে Saccharine (চিনির মতো) থেকে। Saccharine এসেছে ল্যাটিন শব্দ Saccharon থেকে যার অর্থ হলো চিনি। কিন্তু Saccharon আবার এসেছে সংস্কৃত শব্দ শর্করা থেকে। ইন্টারেস্টিং তাইনা?!
 

তবে এর থেকেও বেশি মজার কাহিনী হলো এর আবিষ্কার এর কাহিনী।
 

আবিষ্কারঃ
১৮৭৮-৭৯ সালের দিলে জন্স হপকিন্স ইউনিভার্সিটির এক ছোট- খাটো গবেষণাগারে  প্রথম উদ্ভাবন করা হয় কৃত্রিম এ মিষ্টিকারক পদার্থটির। ইরা রেমসেন নামে রসায়নের এক প্রফেসরের তত্ত্বাবধানেই চলতো গবেষণাগারের কাজ। তাঁরই গবেষণাগারে  যোগ দেন  ফাহ্লবার্গ।
তো ফাহ্লবার্গ  নিজের গবেষণায় এতোটাই মগ্ন থাকতেন যে খাওয়ার কথাও ভুলে যেতেন। তো আবিষ্কারের দিন,  তিনি গবেষণা শেষে হাত না ধুয়েই খেতে বসেছিলেন। আর অত্যন্ত মিষ্টি একটি স্বাদ পেলেন, ফাহ্লবার্গ  কিন্তু মিষ্টি একদমই পছন্দ করতেন না। তো তার খাবারে  মিষ্টি ব্যবহার করায় তিনি বেজায় চটে গেলেন, রাগারাগি শুরু করলেন। কিন্তু পরক্ষণেই তিনি তাঁর ভুল বুঝতে  পারলেন যে মিষ্টি টা আসলে খাবারে নয়, তাঁর হাত না ধুয়ে খাওয়ার ফলে হয়েছে। কিন্তু কি এমন যৌগের কারণে  এতো মিষ্টতা হলো?
 

স্বাভাবিকভাবেই বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থ নিয়ে কাজ ছিলো তার। তাই ঠিক কোন রাসায়নিক পদার্থটি হাতে লাগার দরুন এ মিষ্টতার উদ্ভব হয়েছে, তা তিনি ঠিক নিশ্চিত ছিলেন না। তাই তিনি আবার  গবেষণাগারে গিয়ে আবার তার শেষ পরীক্ষার পদার্থ  চেখে দেখলেন।

সালফোবেঞ্জয়িক এসিড, ফসফরাস ক্লোরাইড আর অ্যামোনিয়ার এক মিশ্রণ থেকেই তিনি পেয়েছিলেন সেই কড়া মিষ্টি স্বাদ। সেইদিনই তিনি এই মিশ্রণগুলো জ্বালিয়ে তৈরি করেছিলেন বেঞ্জয়িক সালফাইনাইড।


স্যাকারিনের গবেষণাপত্রঃ
এরপর আর দেরি করলেন না ফাহ্লবার্গ।
তার গবেষণা সুপারভাইজার অধ্যাপক রেমসেনের সাথে একটি সায়েন্টিফিক পেপার লিখলেন। ১৮৭৯ সালে প্রকাশিত সেই পেপারে তাদের দুজনকেই স্যাকারিনের উদ্ভাবক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছিলো। ১৮৮৬ সালে করা স্যাকারিনের পেটেন্টে নিজেকেই এর একমাত্র আবিষ্কারক হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি। আর এটা নিয়েই ফাহ্লবার্গের সাথে রেমসেনের গন্ডগোল শুরু হয়। ফাহ্লবার্গের কাজটি মূলত রেমসেনের গবেষণাগারেই হওয়ায় রেমসেন চেয়েছিলেন এর সহ-উদ্ভাবক হিসেবে অন্তত তার নামটি থাকুক। অন্যদিকে ফাহ্লবার্গের বক্তব্য ছিলো যে, এর আগেও তিনি সালফোবেঞ্জয়িক এসিড নিয়ে বেশ কিছু কাজ করেছেন। তাই উদ্ভাবনের কৃতিত্ব মূলত তারই।
 

স্যাকারিনের ব্যবহারঃ চিনির চেয়ে প্রায় ৪০০ গুণ বেশি মিষ্টি স্যাকারিন তৈরী হয় আলকাতরা থেকে প্রাপ্ত উলুইন নামক পদার্থ থেকে। কার্বোহাইড্রেটবিহীন খাদ্যদ্রব্য ও কোমল পানীয়ের মিষ্টিকারক হিসেবে ব্যবহার করা হয় স্যাকারিন।  এছাড়া বেকারিতে প্রস্তুত খাদ্যসামগ্রী, ক্যান্ডি, সালাদ ইত্যাদিতে  বর্তমানে স্যাকারিন ব্যবহার করা হয়৷

ক্রেডিট : মিথিলা ফারজানা মেলোডি | ক্যাম্পাস এম্বাসেডর, সায়েন্স বী

0 টি ভোট
করেছেন (670 পয়েন্ট)
স্যাকারিন হলো একধরণের রাসায়নিক যৌগ।যা চিনি থেকে ৩০০-৫০০ গুণ মিষ্টি।এর রাসায়নিক নাম " বেনজো সালফিমাইড।"এর মধ্যে কোন খাদ্যশক্তি নেই। এটা হলো কৃত্রিম মিষ্টি যা নানারকম পানীয়,চকোলেট ইত্যাদিতে মিশিয়ে মিষ্টি করা হয়।

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

+2 টি ভোট
1 উত্তর 476 বার দেখা হয়েছে
0 টি ভোট
1 উত্তর 467 বার দেখা হয়েছে
0 টি ভোট
2 টি উত্তর 879 বার দেখা হয়েছে
11 ফেব্রুয়ারি 2023 "তত্ত্ব ও গবেষণা" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Meherun jahan (420 পয়েন্ট)
+1 টি ভোট
3 টি উত্তর 487 বার দেখা হয়েছে
03 অক্টোবর 2021 "তত্ত্ব ও গবেষণা" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন NAYEM MOLLAH (1,540 পয়েন্ট)
+10 টি ভোট
2 টি উত্তর 917 বার দেখা হয়েছে

10,899 টি প্রশ্ন

18,595 টি উত্তর

4,746 টি মন্তব্য

869,030 জন সদস্য

55 জন অনলাইনে রয়েছে
0 জন সদস্য এবং 55 জন গেস্ট অনলাইনে
  1. Muhammad Al-Amin

    540 পয়েন্ট

  2. আব্দুল্লাহ আল মাসুদ

    420 পয়েন্ট

  3. sportsmania6

    120 পয়েন্ট

  4. hitclubcocom2

    100 পয়েন্ট

  5. Fun79store

    100 পয়েন্ট

বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় উন্মুক্ত বিজ্ঞান প্রশ্নোত্তর সাইট সায়েন্স বী QnA তে আপনাকে স্বাগতম। এখানে যে কেউ প্রশ্ন, উত্তর দিতে পারে। উত্তর গ্রহণের ক্ষেত্রে অবশ্যই একাধিক সোর্স যাচাই করে নিবেন। অনেকগুলো, প্রায় ২০০+ এর উপর অনুত্তরিত প্রশ্ন থাকায় নতুন প্রশ্ন না করার এবং অনুত্তরিত প্রশ্ন গুলোর উত্তর দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। প্রতিটি উত্তরের জন্য ৪০ পয়েন্ট, যে সবচেয়ে বেশি উত্তর দিবে সে ২০০ পয়েন্ট বোনাস পাবে।


Science-bee-qna

সর্বাপেক্ষা জনপ্রিয় ট্যাগসমূহ

মানুষ পানি ঘুম পদার্থ - জীববিজ্ঞান চোখ পৃথিবী এইচএসসি-উদ্ভিদবিজ্ঞান এইচএসসি-প্রাণীবিজ্ঞান রোগ রাসায়নিক #ask শরীর রক্ত আলো মোবাইল #science ক্ষতি চুল চিকিৎসা কী পদার্থবিজ্ঞান প্রযুক্তি সূর্য স্বাস্থ্য মাথা গণিত প্রাণী মহাকাশ বৈজ্ঞানিক #biology পার্থক্য এইচএসসি-আইসিটি বিজ্ঞান গরম খাওয়া #জানতে শীতকাল ডিম বৃষ্টি চাঁদ কেন কারণ কাজ বিদ্যুৎ রং সাপ রাত শক্তি উপকারিতা লাল মনোবিজ্ঞান আগুন গাছ খাবার মস্তিষ্ক সাদা শব্দ আবিষ্কার দুধ মাছ উপায় হাত মশা ঠাণ্ডা ব্যাথা স্বপ্ন ভয় বাতাস তাপমাত্রা গ্রহ রসায়ন কালো উদ্ভিদ পা মন কি বিস্তারিত রঙ পাখি গ্যাস সমস্যা বাচ্চা মেয়ে মৃত্যু বাংলাদেশ বৈশিষ্ট্য ব্যথা হলুদ সময় চার্জ অক্সিজেন দাঁত ভাইরাস বিড়াল আকাশ গতি কান্না আম
...