বায়োলজিক্যাল ক্লক কি? কিভাবে বায়োলজিক্যাল ক্লক আমাদের শরীরে কাজ করে? - ScienceBee প্রশ্নোত্তর

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির প্রশ্নোত্তর দুনিয়ায় আপনাকে স্বাগতম! প্রশ্ন-উত্তর দিয়ে জিতে নিন পুরস্কার, বিস্তারিত এখানে দেখুন।

+4 টি ভোট
2,085 বার দেখা হয়েছে
"জীববিজ্ঞান" বিভাগে করেছেন (135,490 পয়েন্ট)

1 উত্তর

0 টি ভোট
করেছেন (135,490 পয়েন্ট)
সম্পাদিত করেছেন
জীবজগতের উদ্ভিদকূল থেকে প্রাণীকূলের পৃথিবীর আহ্নিক গতির সঙ্গে সাযুজ্য রেখে চলা দেহের ভেতরে থাকা এই ঘড়ির সাহায্যে, যার নাম সর্কাডিয়ান ঘড়ি। শরীর, মন ও ব্যবহারিক পরিবর্তন সাধন করে খিদে, ঘুম, আচারআচরণ, হৃদস্পন্দন প্রভৃতি নিয়ন্ত্রণ করে এই দেহ ঘড়ি বা সারকাডিয়ান রিদম।

সাধারনত এই ক্লকের দৌলতে সকাল ৬টা থেকে বেলা ১২টা অবধি মানুষের রক্তচাপ ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে, তার এই সময়ে মানুষ খুব সচেতন থাকে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মূলত বেলা ১২টার পর বাড়ে তার ভাববিনিময় ক্ষমতা, এই সময়ে শরীরের তাপমাত্রাও একটু বেশি থাকে। সন্ধে ৬টার পর থেকে শুরু হয় মানুষের মস্তিষ্কে অবস্থিত বিশেষ স্থান পিনিয়াল বডি থেকে আলোক সক্রিয় মেলাটোনিন হরমোন ক্ষরন। এই হরমোন আপনার ঘুমানো আর জেগে ওঠা নিয়ন্ত্রণ করে। রাত ১২টার পর আসে গভীর ঘুম। সকাল ৬টার পর অ্যাড্রিনাল গ্রন্থির কর্টেক্স অঞ্চল থেকে নিঃসৃত হয় কোর্টিসল, আবার সচল হয়ে যায় শরীর। এই সব বিভিন্ন হরমোনের সাহায্যেই।

বিজ্ঞানী জেফ্রি সি হল, মাইকেল রসবাস ও মাইকেল ইয়ং এই বিষয় নিয়ে গবেষণা করেন। তাঁদের রিসার্চে উঠে এসেছে এই সারকাডিয়ান রিদম নামক দেহ ঘড়ির চালিকাশক্তি আর তার পরিবেশের সঙ্গে সামঞ্জস্য রক্ষা করার তথ্য।

আশির দশক থেকে ফ্রুট ফ্লাই বা ড্রসোফিলা নামক একধরণের মাছির ওপর গবেষণা শুরু করেন এই তিনজন। আবিষ্কার করেন একধরনের পিরিয়ড জিন দেখা গেছে। এই জিন রাতের বেলায় দেহ কোষে একপ্রকার প্রোটিন তৈরি করে। দিনের শুরু থেকেই ভাঙতে শুরু করে সেই প্রোটিন। এই দৃষ্টান্তমুলক আবিষ্কার সারকাডিয়ান রিদমের আনবিক ক্রিয়াকে বুঝতে সাহায্য করেছে।এই তিন বিজ্ঞানী 2017 সালে চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পান।

 

PROTHOM

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

+3 টি ভোট
2 টি উত্তর 832 বার দেখা হয়েছে
0 টি ভোট
1 উত্তর 276 বার দেখা হয়েছে
0 টি ভোট
1 উত্তর 296 বার দেখা হয়েছে

10,899 টি প্রশ্ন

18,598 টি উত্তর

4,746 টি মন্তব্য

869,876 জন সদস্য

30 জন অনলাইনে রয়েছে
0 জন সদস্য এবং 30 জন গেস্ট অনলাইনে

বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় উন্মুক্ত বিজ্ঞান প্রশ্নোত্তর সাইট সায়েন্স বী QnA তে আপনাকে স্বাগতম। এখানে যে কেউ প্রশ্ন, উত্তর দিতে পারে। উত্তর গ্রহণের ক্ষেত্রে অবশ্যই একাধিক সোর্স যাচাই করে নিবেন। অনেকগুলো, প্রায় ২০০+ এর উপর অনুত্তরিত প্রশ্ন থাকায় নতুন প্রশ্ন না করার এবং অনুত্তরিত প্রশ্ন গুলোর উত্তর দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। প্রতিটি উত্তরের জন্য ৪০ পয়েন্ট, যে সবচেয়ে বেশি উত্তর দিবে সে ২০০ পয়েন্ট বোনাস পাবে।


Science-bee-qna

সর্বাপেক্ষা জনপ্রিয় ট্যাগসমূহ

মানুষ পানি ঘুম পদার্থ - জীববিজ্ঞান চোখ পৃথিবী এইচএসসি-উদ্ভিদবিজ্ঞান এইচএসসি-প্রাণীবিজ্ঞান রোগ রাসায়নিক #ask শরীর রক্ত আলো মোবাইল #science ক্ষতি চুল চিকিৎসা কী পদার্থবিজ্ঞান প্রযুক্তি সূর্য স্বাস্থ্য মাথা গণিত প্রাণী মহাকাশ বৈজ্ঞানিক #biology পার্থক্য এইচএসসি-আইসিটি বিজ্ঞান গরম খাওয়া #জানতে শীতকাল ডিম বৃষ্টি চাঁদ কেন কারণ কাজ বিদ্যুৎ রং সাপ রাত শক্তি উপকারিতা লাল মনোবিজ্ঞান আগুন গাছ খাবার মস্তিষ্ক সাদা শব্দ আবিষ্কার দুধ মাছ উপায় হাত মশা ঠাণ্ডা ব্যাথা স্বপ্ন ভয় বাতাস তাপমাত্রা গ্রহ রসায়ন কালো উদ্ভিদ পা মন কি বিস্তারিত রঙ পাখি গ্যাস সমস্যা বাচ্চা মেয়ে মৃত্যু বাংলাদেশ বৈশিষ্ট্য ব্যথা হলুদ সময় চার্জ অক্সিজেন দাঁত ভাইরাস বিড়াল আকাশ গতি কান্না আম
...