হ্যাঁ, তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞান এবং জ্যামিতির নিয়ম অনুযায়ী, যেকোনো N ডাইমেনশনাল বস্তু যখন আলোর পথকে বাধা দেয়, তখন তার তৈরি ছায়াটি বা অবয়বটি (N-1) ডাইমেনশনে দৃশ্যমান হবে। এইজন্যেই, আমরা যখন কোনো দেয়ালে বা মাটিতে আমাদের ছায়া দেখি, তখন সেটিকে টু-ডাইমেনশনাল (2D) বা সমতল মনে হয়। কারণ সেটি একটি 2D সারফেসের ওপর আলোর অনুপস্থিতি বা অন্ধকার তৈরি করছে।
ঠিক একইভাবে, 4D কোনো বস্তু যখন আলো অবরুদ্ধ করে, তখন শুধু দেয়ালে নয়, বরং ওই বস্তুর ঠিক পেছন থেকে শুরু করে দেয়াল পর্যন্ত পুরো বাতাস বা শূন্যস্থান জুড়েই আলোর অনুপস্থিতি সৃষ্টি করে। এই ত্রিমাত্রিক অন্ধকার স্থানটিকে বিজ্ঞানের ভাষায় বলা হয় শ্যাডো ভলিউম (Shadow Volume) বা শেড (Shade)। যেহেতু আমরা ত্রিমাত্রিক জীব, তাই আমাদের পক্ষে সরাসরি কোনো 4D বস্তুকে দেখা সম্ভব নয়। কিন্তু, সেই 4D বস্তু যদি আমাদের ত্রিমাত্রিক মহাবিশ্বের ওপর দিয়ে অতিক্রম করে, তবে আমরা কেবল তার ত্রিমাত্রিক প্রজেকশন বা 3D ছায়াটাই দেখতে পাব। এই ত্রিমাত্রিক ছায়াটি আমাদের কাছে একটি সাধারণ 3D অন্ধকার বা শূন্যতা হিসেবে ধরা দেবে।
সোর্সঃ https://www.academia.edu/144932822/Dimensional_Shadow_Theory_4D_Energy_Projection_Revealed_Through_Light_Author_Mugesh_Kumar_V_Age_13_Country_India_2025_Category_Physics_and_Astronomy_Theoretical_Physics