যখন একজন মানুষ প্রথমবার চিকেনপক্সে আক্রান্ত হয়, তখন তার শরীরের ইমিউন সিস্টেম ভাইরাসটাকে চিনে ফেলে এবং এর বিরুদ্ধে শক্তিশালী প্রতিরোধ তৈরি করে।এর ফলে ভবিষ্যতে একই ভাইরাস আবার ঢুকলেও শরীর দ্রুত সেটাকে ধ্বংস করে ফেলে। তাই বেশিরভাগ ক্ষেত্রে জীবনে একবারই হয়।ভাইরাস দেহে প্রবেশ করলে তা কোষের ভেতরে ঢুকে দ্রুত নিজের সংখ্যা বৃদ্ধি করতে থাকে। এ সময় Interferon নিঃসৃত হয়, যা সরাসরি ভাইরাসকে ধ্বংস না করে আশেপাশের কোষগুলোকে সতর্ক করে এবং ভাইরাসের বংশবৃদ্ধি কমাতে সাহায্য করে।আমাদের দেহের তৃতীয় প্রতিরক্ষা স্তর এর Memory cell গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। প্রথমবার কোনো জীবাণু দেহে প্রবেশ করলে, সেটি আগে থেকে চেনা না থাকায় ইমিউন সিস্টেমকে তা শনাক্ত ও ধ্বংস করতে কিছুটা বেশি সময় লাগে।কিন্তু পরবর্তীতে একই ভাইরাস আবার দেহে প্রবেশ করলে মেমোরি সেলগুলো দ্রুত সেটিকে শনাক্ত করে এবং দ্রুত প্রতিরোধ গড়ে তোলে, ফলে জীবাণু সহজে ছড়িয়ে পড়তে পারে না বা রোগের তীব্রতা অনেক কম হয়। তবে অনেকে ইমিউন সিস্টেম দূর্বল হওয়ায় একাধিকবার চিকেন পক্সে আক্রান্ত হতে পারে।