রাইবোসোম আবিষ্কার এর ইতিহাস ও এর কাজ কি? - ScienceBee প্রশ্নোত্তর

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির প্রশ্নোত্তর দুনিয়ায় আপনাকে স্বাগতম! প্রশ্ন-উত্তর দিয়ে জিতে নিন পুরস্কার, বিস্তারিত এখানে দেখুন।

0 টি ভোট
2,125 বার দেখা হয়েছে
"জীববিজ্ঞান" বিভাগে করেছেন (5,800 পয়েন্ট)
সম্পাদিত করেছেন

4 উত্তর

+2 টি ভোট
করেছেন (54,300 পয়েন্ট)
রাইবোজোমঃ জীব কোষে অবস্থিত রাইবোনিউক্লিওপ্রোটিন দ্বারা গঠিত ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কণাগুলিকে রাইবোজোম বলে। এতে প্রধানত Mg আয়ন থাকে।

রাইবোজোম প্রধানত প্রোটিন সংশ্লেষণে সাহায্য করে। প্রোটিনের পলিপটাইড চেইন সংযোজন এই রাইবোজোমে হয়ে থাকে। এছাড়া রাইবোজোম এ কাজে প্রয়োজনীয় উৎসেচক সরবরাহ করে। এই উৎসেচক বা এনজাইমের কাজ হলো প্রাণরাসায়নিক বিক্রিয়ার গতি বাড়িয়ে দেওয়া।রাইবোজোমকে কোষের প্রোটিন তৈরির কারখানা বলা হয়ে থাকে। একে সার্বজনীন অঙ্গানুও বলা হয়ে থাকে।

আবিষ্কারঃ

রাইবোজোম প্রথম আবিষ্কার করেন বিজ্ঞানী জজ প্যালাডে ১৯৫০ সালে।

তথ্যসূত্রঃ উইকিপিডিয়া
+1 টি ভোট
করেছেন (54,300 পয়েন্ট)
রাইবোজোম: জীব কোষে অবস্থিত রাইবোনিউক্লিওপ্রোটিন দ্বারা গঠিত ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কণাগুলিকে রাইবোজোম বলে। এতে প্রধানত Mg আয়ন থাকে।

রাইবোজোম প্রধানত প্রোটিন সংশ্লেষণে সাহায্য করে। প্রোটিনের পলিপটাইড চেইন সংযোজন এই রাইবোজোমে হয়ে থাকে। এছাড়া রাইবোজোম এ কাজে প্রয়োজনীয় উৎসেচক সরবরাহ করে। এই উৎসেচক বা এনজাইমের কাজ হলো প্রাণরাসায়নিক বিক্রিয়ার গতি বাড়িয়ে দেওয়া।রাইবোজোমকে কোষের প্রোটিন তৈরির কারখানা বলা হয়ে থাকে ।একে সার্বজনীন অঙ্গানুও বলা হয়ে থাকে ।

আবিষ্কার:

রাইবোজোম প্রথম আবিষ্কার করেন বিজ্ঞানী জজ প্যালাডে ১৯৫০ সালে।

কাজ:

ক.আমিষ সংশ্লেষণের কাজ করে।

খ. সংশ্লেষিত আমিষকে গলজিবস্তুতে প্রেরণ করে।

গ. অনেক সময় স্নেহ জাতীয় পদার্থ গঠনে সাহায্য করে।

ঘ.এপপটোসিস করে থাকে।
+1 টি ভোট
করেছেন (54,300 পয়েন্ট)
রাইবোজোম: জীব কোষে অবস্থিত রাইবোনিউক্লিওপ্রোটিন দ্বারা গঠিত ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কণাগুলিকে রাইবোজোম বলে। এতে প্রধানত Mg আয়ন থাকে।

রাইবোজোম প্রধানত প্রোটিন সংশ্লেষণে সাহায্য করে। প্রোটিনের পলিপটাইড চেইন সংযোজন এই রাইবোজোমে হয়ে থাকে। এছাড়া রাইবোজোম এ কাজে প্রয়োজনীয় উৎসেচক সরবরাহ করে। এই উৎসেচক বা এনজাইমের কাজ হলো প্রাণরাসায়নিক বিক্রিয়ার গতি বাড়িয়ে দেওয়া।রাইবোজোমকে কোষের প্রোটিন তৈরির কারখানা বলা হয়ে থাকে ।একে সার্বজনীন অঙ্গানুও বলা হয়ে থাকে ।

আবিষ্কার:

রাইবোজোম প্রথম আবিষ্কার করেন বিজ্ঞানী জজ প্যালাডে ১৯৫০ সালে।

কাজ:

ক.আমিষ সংশ্লেষণের কাজ করে।

খ. সংশ্লেষিত আমিষকে গলজিবস্তুতে প্রেরণ করে।

গ. অনেক সময় স্নেহ জাতীয় পদার্থ গঠনে সাহায্য করে।

ঘ.এপপটোসিস করে থাকে।

©️ উইকিপিডিয়া
0 টি ভোট
করেছেন (5,800 পয়েন্ট)
1954 এ Albert Claude ক্ষুদ্র অঙ্গাণু আনিষ্কার করেন যার নাম দিয়েছিলেন Microsome। এরপরে George palade এ 1955 সালে তাকে ভারী অঙ্গাণু হিসেবে ব্যাখ্যা করেন।এরপরে 1958 সালে Richard B Roberts এর নাম করণ করেন রাইবোসোম(Ribosome)।

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

+2 টি ভোট
1 উত্তর 1,651 বার দেখা হয়েছে
+10 টি ভোট
2 টি উত্তর 1,022 বার দেখা হয়েছে
+1 টি ভোট
1 উত্তর 406 বার দেখা হয়েছে
31 জানুয়ারি 2023 "জীববিজ্ঞান" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Nadia (4,030 পয়েন্ট)
+1 টি ভোট
3 টি উত্তর 3,622 বার দেখা হয়েছে
21 এপ্রিল 2021 "জীববিজ্ঞান" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন মেহেদী হাসান (141,860 পয়েন্ট)
+3 টি ভোট
3 টি উত্তর 3,980 বার দেখা হয়েছে
28 ফেব্রুয়ারি 2021 "জীববিজ্ঞান" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Hasan Rizvy Pranto (39,270 পয়েন্ট)

11,063 টি প্রশ্ন

18,699 টি উত্তর

4,750 টি মন্তব্য

898,147 জন সদস্য

37 জন অনলাইনে রয়েছে
0 জন সদস্য এবং 37 জন গেস্ট অনলাইনে
  1. SinghalIndustries22

    520 পয়েন্ট

  2. Singhalindutries002

    240 পয়েন্ট

  3. olivianaylor

    140 পয়েন্ট

  4. Samiha Tanisha

    120 পয়েন্ট

  5. dholeraplot

    120 পয়েন্ট

বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় উন্মুক্ত বিজ্ঞান প্রশ্নোত্তর সাইট সায়েন্স বী QnA তে আপনাকে স্বাগতম। এখানে যে কেউ প্রশ্ন, উত্তর দিতে পারে। উত্তর গ্রহণের ক্ষেত্রে অবশ্যই একাধিক সোর্স যাচাই করে নিবেন। অনেকগুলো, প্রায় ২০০+ এর উপর অনুত্তরিত প্রশ্ন থাকায় নতুন প্রশ্ন না করার এবং অনুত্তরিত প্রশ্ন গুলোর উত্তর দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। প্রতিটি উত্তরের জন্য ৪০ পয়েন্ট, যে সবচেয়ে বেশি উত্তর দিবে সে ২০০ পয়েন্ট বোনাস পাবে।


Science-bee-qna

সর্বাপেক্ষা জনপ্রিয় ট্যাগসমূহ

মানুষ পানি ঘুম পদার্থ - জীববিজ্ঞান চোখ পৃথিবী এইচএসসি-উদ্ভিদবিজ্ঞান এইচএসসি-প্রাণীবিজ্ঞান রোগ রাসায়নিক #ask শরীর রক্ত আলো মোবাইল #science ক্ষতি চিকিৎসা চুল পদার্থবিজ্ঞান কী প্রযুক্তি সূর্য মহাকাশ স্বাস্থ্য মাথা গণিত প্রাণী বৈজ্ঞানিক #biology পার্থক্য এইচএসসি-আইসিটি বিজ্ঞান খাওয়া গরম #জানতে শীতকাল ডিম বৃষ্টি চাঁদ কেন কারণ কাজ বিদ্যুৎ রাত রং সাপ মনোবিজ্ঞান শক্তি উপকারিতা লাল আগুন গাছ মস্তিষ্ক খাবার সাদা শব্দ আবিষ্কার দুধ মাছ উপায় ঠাণ্ডা হাত মশা স্বপ্ন ব্যাথা ভয় তাপমাত্রা বাতাস গ্রহ রসায়ন কালো গ্যাস পা উদ্ভিদ পাখি রঙ সমস্যা মন কি বিস্তারিত বাচ্চা মেয়ে মৃত্যু বাংলাদেশ বৈশিষ্ট্য ভাইরাস ব্যথা দাঁত হলুদ বিড়াল আকাশ সময় চার্জ অক্সিজেন গতি কান্না মুখ
...