বিদ্যুৎ শক্তি কীভাবে তৈরী হয়? - ScienceBee প্রশ্নোত্তর

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির প্রশ্নোত্তর দুনিয়ায় আপনাকে স্বাগতম! প্রশ্ন-উত্তর দিয়ে জিতে নিন পুরস্কার, বিস্তারিত এখানে দেখুন।

+4 টি ভোট
1,077 বার দেখা হয়েছে
"পদার্থবিজ্ঞান" বিভাগে করেছেন (2,620 পয়েন্ট)

2 উত্তর

0 টি ভোট
করেছেন (141,850 পয়েন্ট)

বিদ্যুৎশক্তি উৎপাদন হলো বিদ্যুৎ ব্যবহারের সবচেয়ে প্রথম ধাপ। যেহেতু প্রকৃতিতে স্বাভাবিক উপায়ে বিদ্যুৎশক্তি পাওয়া যায় না, তাই একে ব্যবহার করতে হলে প্রথমে অন্যকোন সহজলভ্য শক্তিকে বিদ্যুৎশক্তিতে রূপান্তরিত করে নিতে হবে। অন্যান্য ধাপগুলো হচ্ছে বিদ্যুৎ শক্তি সঞ্চারণ, বিদ্যুৎ শক্তি বিতরণ এবং বিদ্যুৎ শক্তি সঞ্চয়।

সাধারণতঃ বিদ্যুৎ শক্তি উৎপাদন কেন্দ্রে বৈদ্যুতিক জেনারেটরের সাহায্যে বিদ্যুৎ শক্তি উৎপাদিত হয়। এই জেনারেটরগুলির তাপ ইঞ্জিনে ফসিল জ্বালানী বা নিউক্লীয় ফিশন বিক্রিয়া ব্যবহৃত হয়। অনেক ক্ষেত্রে প্রবহমান জলধারা বা বায়ুর সঞ্চিত গতিশক্তিকেও বিদ্যুৎ শক্তি উৎপাদনের কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহার করা হয়। বিদ্যুৎ শক্তি উৎপাদনে ব্যবহৃত অন্যান্য উৎসের মধ্যে রয়েছে সৌর শক্তি এবং ভূ-গর্ভে সঞ্চিত তাপ শক্তি।

ক্রেডিট: উইকিপিডিয়া

0 টি ভোট
করেছেন (8,580 পয়েন্ট)
সম্পাদিত করেছেন
বিদ্যুৎ প্রবাহ হলো মূলত ইলেকট্রনের প্রবাহ। আপনি কোনোভাবে ইলেকট্রনের প্রবাহ তৈরি করতে পারলে বিদ্যুৎ উৎপন্ন হবে।
এই ইলেকট্রনের প্রবাহ সৃষ্টি করা হয় দুইভাবে। এর মধ্যে একটি হলো ডিসি বা অপর্যায়বৃত্ত কারেন্ট। এটি পাওয়া যায় ব্যাটারি থেকে ব্যাটারির দুটি অংশ থাকে। একটিতে ধনাত্মক আধান এর আধিক্য থাকে বা ইলেকট্রনের আধিক্য থাকেনা। অপর অংশে ঋণাত্বক আধান বা ইলেকট্রনের আধিক্য থাকে। ফল চোখে যখন তার দিয়ে সংযুক্ত করা হয় বা বর্তনী পূর্ণ করা হয় তখন ঋণাত্মক আধানের আধিক্য থাকা অংশ থেকে ধনাত্মক আধান এর অংশের দিকে ইলেকট্রন যেতে শুরু করে। অর্থাৎ ইলেকট্রনের প্রবাহ সৃষ্টি হয়।
আরেক প্রকার প্রবাহ হল এসি বা পর্যায়বৃত্ত কারেন্ট। এটি পাওয়া যায় ডায়নামো বা এসি জেনারেটর থেকে। এই প্রক্রিয়ায় একটি পরিবাহীর তারকে পেঁচিয়ে কয়েল বানানো হয়। এখন কয়েলটির এক দিক একটি চুম্বকের কাছে আনলে এরপর আরেকদিক চুম্বকের কাছে আনলে এক কথায় চুম্বকের পাশে একে ঘুরাতে থাকলে এর মধ্যে ইলেক্ট্রন আকর্ষণ বা বিকর্ষণের কারনে প্রথমে কয়েলের এক তিকে আবার অপরদিকে পর্যায়ক্রমে যেতে থাকবে। এই প্রক্রিয়ায় বিদ্যুৎ প্রবাহের দিক সময়ের সাথে বারবার পরিবর্তন হয়। এক কথায কয়েলে একমাথা থেকে আরেকমাথায় ইলেক্ট্রন যায়, পরক্ষণেই আবার ওই মাথা থেকে আগের অংমে ফিরে আসে। অর্থাৎ এখানেও ইলেকট্রনের প্রবাহ সৃষ্টি হলো। এখানে কয়েলটিকে ঘোরানোটাি মূখ্য, তবে যথেষ্ট পরিমাণ জোরে ঘোরাতে হবে। এই কয়েল ঘোরাতে টারবাইন ব্যবহার করা হয়। বায়ুর প্রবাহ, পানির প্রবাহ বা কোনো জ্বালানির পুড়িয়ে সেই তাপে পানিকে বাষ্পীভূত করে বাষ্পের প্রবাহ থেকে বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয়। পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে নিউক্লিয়ার ফিউশন থেকে প্রাপ্ত তাপে পানিকে বাষ্পীভূত করে বাষ্পের প্রবাহ থেকে বিদ্যুৎ উৎপন্ন করা হয়।

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

+1 টি ভোট
1 উত্তর 554 বার দেখা হয়েছে
+3 টি ভোট
2 টি উত্তর 2,123 বার দেখা হয়েছে
+4 টি ভোট
1 উত্তর 423 বার দেখা হয়েছে

10,899 টি প্রশ্ন

18,595 টি উত্তর

4,746 টি মন্তব্য

868,946 জন সদস্য

30 জন অনলাইনে রয়েছে
0 জন সদস্য এবং 30 জন গেস্ট অনলাইনে
  1. Muhammad Al-Amin

    540 পয়েন্ট

  2. আব্দুল্লাহ আল মাসুদ

    420 পয়েন্ট

  3. sportsmania6

    120 পয়েন্ট

  4. sc88capital

    100 পয়েন্ট

  5. 917betviporg

    100 পয়েন্ট

বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় উন্মুক্ত বিজ্ঞান প্রশ্নোত্তর সাইট সায়েন্স বী QnA তে আপনাকে স্বাগতম। এখানে যে কেউ প্রশ্ন, উত্তর দিতে পারে। উত্তর গ্রহণের ক্ষেত্রে অবশ্যই একাধিক সোর্স যাচাই করে নিবেন। অনেকগুলো, প্রায় ২০০+ এর উপর অনুত্তরিত প্রশ্ন থাকায় নতুন প্রশ্ন না করার এবং অনুত্তরিত প্রশ্ন গুলোর উত্তর দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। প্রতিটি উত্তরের জন্য ৪০ পয়েন্ট, যে সবচেয়ে বেশি উত্তর দিবে সে ২০০ পয়েন্ট বোনাস পাবে।


Science-bee-qna

সর্বাপেক্ষা জনপ্রিয় ট্যাগসমূহ

মানুষ পানি ঘুম পদার্থ - জীববিজ্ঞান চোখ পৃথিবী এইচএসসি-উদ্ভিদবিজ্ঞান এইচএসসি-প্রাণীবিজ্ঞান রোগ রাসায়নিক #ask শরীর রক্ত আলো মোবাইল #science ক্ষতি চুল চিকিৎসা কী পদার্থবিজ্ঞান প্রযুক্তি সূর্য স্বাস্থ্য মাথা গণিত প্রাণী মহাকাশ বৈজ্ঞানিক #biology পার্থক্য এইচএসসি-আইসিটি বিজ্ঞান গরম খাওয়া #জানতে শীতকাল ডিম বৃষ্টি চাঁদ কেন কারণ কাজ বিদ্যুৎ রং সাপ রাত শক্তি উপকারিতা লাল মনোবিজ্ঞান আগুন গাছ খাবার মস্তিষ্ক সাদা শব্দ আবিষ্কার দুধ মাছ উপায় হাত মশা ঠাণ্ডা ব্যাথা স্বপ্ন ভয় বাতাস তাপমাত্রা গ্রহ রসায়ন কালো উদ্ভিদ পা মন কি বিস্তারিত রঙ পাখি গ্যাস সমস্যা বাচ্চা মেয়ে মৃত্যু বাংলাদেশ বৈশিষ্ট্য ব্যথা হলুদ সময় চার্জ অক্সিজেন দাঁত ভাইরাস বিড়াল আকাশ গতি কান্না আম
...