সদস্যঃ Labib Uzzaman - ScienceBee প্রশ্নোত্তর

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির প্রশ্নোত্তর দুনিয়ায় আপনাকে স্বাগতম! প্রশ্ন-উত্তর দিয়ে জিতে নিন পুরস্কার, বিস্তারিত এখানে দেখুন।

সদস্যঃ Labib Uzzaman

Labib Uzzaman এর ওয়াল

এই ওয়ালে পোস্ট করতে চাইলে দয়া করে লগ ইন করুন কিংবা নিবন্ধিত হউন
ঘরে বসে বানাও "আগ্নেয়গিরি" -------------
জিওগ্রাফি চ্যানেলে আগ্নেয়গিরির ছবি দেখলেই নিজের মধ্যে কেমন একটা উত্তেজনা কাজ করতো । আগ্নেয়গিরি থেকে লাভার স্ফুলিঙ্গ ছিটকে পরছে চারদিকে ব্যপারটা দেখতে বেশ ভালই লাগত । মনে ইচ্ছা জাগতো সামনাসামনি দেখার। সেই লক্ষ্যেই বসে গেলাম । দেখা যাক কি হয় ।   
এতে আমাদের কয়েকটি জিনিস লাগবে । সেগুলি হল ----
 একটি প্লাস্টিক বোতল, পানি, তেল, ফুড কালার (লাল হলে ভাল হয় ), ভিটামিন C ট্যাবলেট।
যেভাবে করবো -----------
 প্রথমে প্লাস্টিক বোতলে ১ কাপ পানি নেই। এরপর এতে ৩ কাপ সমান তেল নেই । যেহেতু তেল ও পানি একত্রে মিশে না এবং পানি তেলের চেয়ে হালকা, তাই পানির অংশটা বোতলের নিচে থাকবে আর তেল এর অংশ উপরে। এখন বোতলে ৩/৪ ড্রপ ফুড কালার দেই। ফুড কালার পানির সাথে মিশে যাবে কিন্তু তেলে মিশবে না। একটু নেড়ে দিলেই পানির সাথে ফুড কালার মিশে পানি লাল হয়ে যাবে আর তেল আগের মতই থাকবে। এখন ২টি ভিটামিন C ট্যাবলেট বোতলে ছেড়ে দেই।
তাতেই কেল্লা ফতে । চোখের সামনে দেখা যাবে সুন্দর আগ্নেয়গিরি ।
এর পিছনের সাইন্স ---------------
 ভিটামিন C ট্যাবলেট পানির সংস্পর্শে আসা মাত্রই কার্বন ডাই অক্সাইড  তৈরি হয়। এই গ্যাস বোতলের নিচ থেকে উপরের দিকে উঠে আসার সময় পানির কণা সাথে নিয়ে উঠে। বোতলের উপরিভাগে থাকা তেলের পৃষ্ঠে উঠে আসার পর এই কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাস বোতলের মুখ দিয়ে উড়ে চলে যায়। কিন্তু থেকে যায় সেই পানির কণা। পানি যেহেতু তেলের সাথে কখনোই মিশে না তাই এই লাল বর্ণের পানির কণা আবার বোতলের তলায় ফিরে আসে। এভাবে কণার উঠা এবং ফিরে আসা একটা চলাচল সৃষ্টি হয় । যার ফলে মনে হয় যেন আগ্নেয়গিরি থেকে আগুনের শিখা উঠছে । একে বলা হয় যাদুর আগ্নেয়গিরি, যা "লাভা ল্যাম্প" নামে পরিচিত ।
চাইলে তুমিও করতে পারো বাড়ীতে বসে । আর চমকে দিতে পারো সবাইকে ।
08 অক্টোবর 2023 করেছেন Labib Uzzaman
Dancing Chemical -----------------
লাফিং গ্যাসের নাম ত আমরা প্রায় সবাই শুনেছি । নাইট্রাস অক্সাইড শ্বাসপ্রশ্বাসের সাথে নাকে ঢুকলেই কোনো কারন ছাড়াই আপনি হাসতে থাকবেন । ঠিক তেমনি একটি যৌগ আছে যাকে বলা হয় " ডেন্সিং ক্যামিক্যাল।"
আপনি হয়তো ভাবতে পারেন " এটি নাকে ঢুকলে আমি হয়তো নাচতে থাকবো ?" কিন্তু না । বিষয়টি এমন নয় । ডেন্সিং যৌগ আপনাকে নাচাবে না । তবে কি কারনে একে ডেন্সিং ক্যামিক্যাল বলা হয় ? চলুন জেনে নেই ।
এই ডেন্সিং ক্যামিক্যালটি হল " কার্বন মনোক্সাইড "   
আমরা জানি , যখন একটি অণুর অপর একটি অণুর সাথে ধাক্কা লাগে তখন তারা একে অপর থেকে দুরে সরে যায় ।
কিন্তু কার্বন মনোক্সাইড এর দুটি অণুর ক্ষেত্রে এমন ধাক্কার ফলে তারা একধরনের নাচ দেখায়।  যেখানে দুই দল মানুষ সমান্তরালভাবে মুখোমুখি হয়ে  একে অপররের কাছাকাছি  আসে আর দুরে সরে যায়। এই কাজটি তারা নির্দিষ্ট  বিরতিতে করে এবং এই বিরতিতে সমান্তরাল রেখার মাঝে ২টি অনু এসে একে অপরের দিকে ঘুরতে থাকে আবার আগের জায়গায় ফিরে যায় । এভাবে দুটি অংশের নাচ পরিবেশিত হয়ে থাকে।
 এই নাচের মতো কার্বন মনোক্সাইডও নাচে যা কিনা কম্পিউটার সিমুলেশন  এর মাধ্যমে বিজ্ঞানীরা খুজে পেয়েছেন।
 তারা দেখেন যখন কার্বন মনোক্সাইড এর দুটি অণু যদি প্রায় ৮০০ মি/ সেঃ বেগে কার্বন -কার্বন মুখোমুখি  ধাক্কা খায় এবং ঘুরতে শুরু করে। তখন অক্সিজেন পরমাণুর সাথে ধাক্কার দ্বারা প্রভাবিত  হয়ে অণুদ্বয় আবার নিজেদের আবর্তন  বলয়ে ঘুরতে থাকে । এরুপ ধাক্কা ও আবর্তন এ কারনে কার্বন মনোক্সাইড অণুর যে ভরবেগের পরিবর্তন  হয় তা ঘুর্নায়মান শক্তিতে রুপান্তরিত  হয়।
 এরুপ সংঘর্ষ প্রতি ২০ টি সংঘর্ষের একটিতে দেখা যায়। নক্ষত্রমন্ডলে কার্বন মনোক্সাইড  এর এমন নাচের কারণে ঘুর্নন শক্তি  আলোক শক্তি রুপে নিঃসরণ করে বলে জানা যায় ।যার উপর ভিত্তি করে টেলিস্কোপ  এর সাহায্যে মেঘ,নীহারিকা ইত্যাদির ছবি তোলা হয়। এধরণের  নাচন ধুমকেতু,পৃথিবীর বাইরের অন্যান্য গ্রহ নক্ষত্র এর ক্ষেত্রে বেশি হয় বলে ধারণা  করা হয় কেননা সেখানে কার্বন মনোক্সাইড  এর ঘনত্ব বেশি থাকে।
08 অক্টোবর 2023 করেছেন Labib Uzzaman
“কোনো গ্যাসের আণবিক ভর =বাষ্প ঘনত্ব * 2” এটি কিভাবে এলো ?
  অ্যাভোগেড্রোর মতে ,
   “নিষ্ক্রিয় গ্যাস ছাড়া সকল মৌলিক গ্যাসের অনুতে ২ করে পরমানু আছে ।“
মৌলিক গ্যাসসমূহ হল – H,N,O,F,Cl.
ধরি ,
   প্রমান তাপমাত্রা ও চাপে V আয়তনের গ্যাসে n সংখ্যক পরমানু বিদ্যমান ।
 তাহলে বাষ্প ঘনত্বকে আমরা লিখতে পারি ,
বাষ্প ঘনত্ব
= গ্যাসটির n সংখ্যক অনুর ভর / হাইড্রোজেনের n সংখ্যক অনুর ভর
= গ্যাসটির 1টি অনুর ভর / হাইড্রোজেনের 1টি অনুর ভর
= গ্যাসটির 1টি অনুর ভর / হাইড্রোজেনের 2টি পরমাণুর ভর
= (½)* (গ্যাসটির 1টি অনুর ভর / হাইড্রোজেনের 1টি পরমাণুর ভর)
= (½)* গ্যাসটির আণবিক ভর  ( হাইড্রোজেন স্কেল অনুসারে )
সুতরাং , গ্যাসটির আণবিক ভর = 2 * বাষ্প ঘনত্ব (প্রমানিত)
08 অক্টোবর 2023 করেছেন Labib Uzzaman
অ্যাভোগেড্রো সংখ্যা  -------
আমি যখন অ্যাভোগেড্রো সংখ্যা  সম্পর্কে জানতে পারি তখন প্রায়ই মনে হত এটি কিভাবে এলো ? এটিকে কিভাবে প্রমান করলেন বিজ্ঞানীরা ?
তোমরাও হয়তো অনেকেই এটি ভাবছ ? তাই চল জেনে নেই এটি সম্পর্কে।
এতে প্রথমেই আমাদের পারমাণবিক ভর একক বা amu সম্পর্কে জানতে হবে ।
কোনো মৌলের একটি পরমাণুর প্রকৃত ভরকে যে একক দ্বারা প্রকাশ করা হয়, সেই একককে পারমাণবিক ভর একক বলা হয় ।
পারমাণবিক ভর একক (amu) =(1/12) ×1টি C-12 পরমাণুর প্রকৃত ভর।
পারমাণবিক ভর ধারনাটি প্রবর্তন করেন জন ডাল্টন । তিনি হাইড্রোজেনের একটি পরমানুর ভরকে পারমানবিক ভরের স্ট্যান্ডার্ড হিসাবে গ্রহণ করেছিলেন । বর্তমানে কার্বন -১২ আইসোটোপের ১/১২ অংশকে পারমাণবিক ভর নির্ণয়ের জন্য স্ট্যান্ডার্ড হিসাবে ধরা হয় ।
1 amu = Mass of C-12 atom/12
        = (1/12)* (Mass of C-12 atom)
        = (1/12)* (6e-+6p+6n)
        = (6/12)* (e-+p+n)
        =(1/2)* (9.11*10^-28+1.67*10^-24+1.675*10^-24) g
        = 1.66*10^-24 g
1.66*10^-24 g ভর =1টি পরমাণু
1g ভর =(1/1.66*10^-24) টি পরমানু
        =6.02*10^23 টি পরমানু
একে আরেকটি উপায়ে বের করা যায় । সেটি হল –
বিজ্ঞানী মাইকেল ফ্যারাডের তড়িৎ বিশ্লেষণ পরীক্ষা থেকে জানা যায় 1mole ইলেকট্রনের চার্জ 96500C
আমরা জানি ১টি ইলেকট্রনের চার্জের মান = 1.60*10^-19C
সুতরাং 1mole ইলেকট্রন = 96500/1.60*10^-19 = 6.02*10^23 টি ইলেকট্রন .
08 অক্টোবর 2023 করেছেন Labib Uzzaman
IEB স্বীকৃত বা অনুমোদিত বি.এস.সি ইঞ্জিনিয়ারিং প্রোগ্রাম রয়েছে মোট ৩৩টি বিশ্ববিদ্যালয়ের। নিম্নোক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের  নির্দিষ্ট বিভাগ বা ডিপার্টমেন্ট থেকে বি.এস.সি ইঞ্জিনিয়ারিং সম্পন্ন করলে সরাসরি IEB এর মোম্বারশিপ পাবার জন্য আবেদন করা যাবে। [বি:দ্র: নামের পূর্বে ইঞ্জিনিয়ার পদবি বসাতে হলে নিম্নোক্ত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি.এস.সি ইঞ্জিনিয়ারিং সম্পন্ন করতে হবে।]
০১। অ্যাসোসিয়েট মেম্বার ইনস্টিটিউশন ওফঃ ইঞ্জিনিয়ার্স (AMIE)
ঠিকানা: ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ (IEB)
IEB স্বীকৃত ডিপার্টমেন্ট:
সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং (CE)
ইলেক্ট্রিক্যাল এন্ড ইলেক্ট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং (EEE)
মেকানিক্য়াল ইঞ্জিনিয়ারিং (ME)
কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং (ChE)
০২। আহ্ছানউল্লা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (AUST)
ঠিকানা: ঢাকা বাংলাদেশ
IEB স্বীকৃত ডিপার্টমেন্ট:
সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং (CE)
কম্পিউটার সাইন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (CSE)
ইলেক্ট্রিক্যাল এন্ড ইলেক্ট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং (EEE)
০৩। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (BAU)
ঠিকানা: ময়মনসিংহ, বাংলাদেশ
IEB স্বীকৃত ডিপার্টমেন্ট:
কৃষি
ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং (FE)
০৪। বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (BUET)
ঠিকানা: ঢাকা, বাংলাদেশ
IEB স্বীকৃত ডিপার্টমেন্ট:
মেকানিক্য়াল ইঞ্জিনিয়ারিং (ME)
ইলেক্ট্রিক্যাল এন্ড ইলেক্ট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং (EEE)
কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং (ChE)
কম্পিউটার সাইন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (CSE)
মেটাল্লুরজিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং
নেভাল আর্চ. এন্ড মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং
সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং (CE)
০৫। বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অফ টেক্সটাইল (BUTEX)
ঠিকানা: ঢাকা, বাংলাদেশ
IEB স্বীকৃত ডিপার্টমেন্ট:
টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং
০৬। চিটাগাং ইউনিভার্সিটি অফ ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি (CUET)
ঠিকানা: চিটাগাং, বাংলাদেশ
IEB স্বীকৃত ডিপার্টমেন্ট:
ইলেক্ট্রিক্যাল এন্ড ইলেক্ট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং (EEE)
মেকানিক্য়াল ইঞ্জিনিয়ারিং (ME)
সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং (CE)
০৭। ঢাকা ইউনিভার্সিটি অফ ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি (DUET)
ঠিকানা: ঢাকা, বাংলাদেশ
IEB স্বীকৃত ডিপার্টমেন্ট:
সমস্ত বিভাগ
০৮। ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অফ টেকনোলজি (IUT)
ঠিকানা: গাজীপুর, বাংলাদেশ
IEB স্বীকৃত ডিপার্টমেন্ট:
কর্ক ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি (CIT) {কম্পিউটার সাইন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (CSE)}
মেকানিক্য়াল ইঞ্জিনিয়ারিং (ME)
ইলেক্ট্রিক্যাল এন্ড ইলেক্ট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং (EEE)
সিভিল এন্ড এনভায়রনমেন্টাল ইঞ্জিনিয়ারিং (CEE)
০৯। খুলনা ইউনিভার্সিটি অফ ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি (KUET)
ঠিকানা: খুলনা, বাংলাদেশ
IEB স্বীকৃত ডিপার্টমেন্ট:
সমস্ত বিভাগ
১০। খুলনা ইউনিভার্সিটি (KU)
ঠিকানা: খুলনা, বাংলাদেশ
IEB স্বীকৃত ডিপার্টমেন্ট:
কম্পিউটার সাইন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (CSE)
ইলেকট্রনিক এন্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং (ECE)
১১। রাজশাহী ইউনিভার্সিটি অফ ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি (RUET)
ঠিকানা: রাজশাহী, বাংলাদেশ
IEB স্বীকৃত ডিপার্টমেন্ট:
সমস্ত বিভাগ
১২। শাহজালাল ইউনিভার্সিটি অফ সাইন্স এন্ড টেকনোলজি (SUST)
ঠিকানা: সিলেট, বাংলাদেশ
IEB স্বীকৃত ডিপার্টমেন্ট:
কম্পিউটার সাইন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (CSE)
ইন্ডাস্ট্রিয়াল এন্ড প্রোডাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং (IPE)
কেমিকাল ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড পলিমার সাইন্স (CEP)
সিভিল এন্ড এনভায়রনমেন্টাল ইঞ্জিনিয়ারিং (CEE)
১৩। আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশ (AIUB)
ঠিকানা: ঢাকা, বাংলাদেশ
IEB স্বীকৃত ডিপার্টমেন্ট:
ইলেকট্রনিক এন্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং (ECE)
কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং (CoE)
ইলেকট্রিকাল এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (EEE)
কম্পিউটার সাইন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (CSE)
১৪। আহসানুল্লাহ ইউনিভার্সিটি অফ সাইন্স এন্ড টেকনোলজি (AUST)
ঠিকানা: ঢাকা, বাংলাদেশ
IEB স্বীকৃত ডিপার্টমেন্ট:
মেকানিকাল ইঞ্জিনিয়ারিং (ME)
টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং (TE)
ইলেকট্রিকাল এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (EEE)
ইন্ডাস্ট্রিয়াল এন্ড প্রোডাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং (IPE)
সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং (CE)
কম্পিউটার সাইন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (CSE)
১৫। ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি (BracU)
ঠিকানা: ঢাকা, বাংলাদেশ
IEB স্বীকৃত ডিপার্টমেন্ট:
কম্পিউটার সাইন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (CSE)
ইলেকট্রনিক এন্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং (ECE)
ইলেকট্রিকাল এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (EEE)
১৬। ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (DIU)
ঠিকানা: ঢাকা, বাংলাদেশ
IEB স্বীকৃত ডিপার্টমেন্ট:
কম্পিউটার সাইন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (CSE)
ইলেকট্রনিক এন্ড টেলিকম্যুনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং (ETE)
ইলেকট্রিকাল এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (EEE)
টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং (TE)
১৭। ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (DIU)
ঠিকানা: ঢাকা, বাংলাদেশ
IEB স্বীকৃত ডিপার্টমেন্ট:
কম্পিউটার সাইন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (CSE)
১৮। ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি (EWU)
ঠিকানা: ঢাকা, বাংলাদেশ
IEB স্বীকৃত ডিপার্টমেন্ট:
কম্পিউটার সাইন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (CSE)
ইলেকট্রিকাল এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (EEE)
ইলেকট্রনিক এন্ড টেলিকম্যুনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং (ETE)
ইনফরমেশন এন্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং (ICE)
১৯। ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটি (EU)
ঠিকানা: ঢাকা, বাংলাদেশ
IEB স্বীকৃত ডিপার্টমেন্ট:
ইলেকট্রিকাল এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (EEE)
২০। গ্রীন ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ (GUB)
ঠিকানা: ঢাকা, বাংলাদেশ
IEB স্বীকৃত ডিপার্টমেন্ট:
কম্পিউটার সাইন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (CSE)
ইলেকট্রিকাল এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (EEE)
২১। ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ (IUB)
ঠিকানা: ঢাকা, বাংলাদেশ
IEB স্বীকৃত ডিপার্টমেন্ট:
ইলেকট্রিকাল এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (EEE)
ইলেকট্রনিক এন্ড টেলিকম্যুনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং (ETE)
কম্পিউটার সাইন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (CSE)
কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং (CEN)
২২। ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইউনিভার্সিটি চিটাগাং (IIUC)
ঠিকানা: চিটাগাং, বাংলাদেশ
IEB স্বীকৃত ডিপার্টমেন্ট:
কম্পিউটার এন্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং (CCE)
কম্পিউটার সাইন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (CSE)
ইলেকট্রিকাল এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (EEE)
২৩। ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অফ বিসনেস এগ্রিকালচার এন্ড টেকনোলজি (IUBAT)
ঠিকানা: ঢাকা, বাংলাদেশ
IEB স্বীকৃত ডিপার্টমেন্ট:
সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং (CE)
কম্পিউটার সাইন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (CSE)
ইলেকট্রিকাল এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (EEE)
২৪। মাওলানা ভাসানী সাইন্স এন্ড টেকনোলজি ইউনিভার্সিটি (MBSTU)
ঠিকানা: টাঙ্গাইল, বাংলাদেশ
IEB স্বীকৃত ডিপার্টমেন্ট:
কম্পিউটার সাইন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (CSE)
টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং (TE)
২৫। মিলিটারি ইনস্টিটিউট অফ সাইন্স এন্ড টেকনোলজি (MIST)
ঠিকানা: ঢাকা, বাংলাদেশ
IEB স্বীকৃত ডিপার্টমেন্ট:
কম্পিউটার সাইন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (CSE)
সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং (CE)
ইলেকট্রিকাল, ইলেকট্রনিক এন্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং (EECE)
মেকানিকাল ইঞ্জিনিয়ারিং (ME)
আইরনাউটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং (AE)
২৬। নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি (NSU)
ঠিকানা: ঢাকা, বাংলাদেশ
IEB স্বীকৃত ডিপার্টমেন্ট:
সিভিল এন্ড এনভায়রনমেন্টাল ইঞ্জিনিয়ারিং (CEE)
ইলেকট্রিকাল এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (EEE)
ইলেকট্রনিক এন্ড টেলিকম্যুনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং (ETE)
কম্পিউটার সাইন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (CSE)
২৭। প্রিমিয়াসিয়া ইউনিভার্সিটি (PAU)
ঠিকানা: ঢাকা, বাংলাদেশ
IEB স্বীকৃত ডিপার্টমেন্ট:
টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং (TE)
২৮। স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ (SUB)
ঠিকানা: ঢাকা, বাংলাদেশ
IEB স্বীকৃত ডিপার্টমেন্ট:
সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং (CE)
কম্পিউটার সাইন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (CSE)
ইলেকট্রিকাল এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (EEE)
২৯। সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটি (SEU)
ঠিকানা: ঢাকা, বাংলাদেশ
IEB স্বীকৃত ডিপার্টমেন্ট:
ইলেকট্রিকাল এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (EEE)
টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং (TE)
কম্পিউটার সাইন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (CSE)
৩০। সাউদার্ন ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ (SUB)
ঠিকানা: চট্টগ্রাম, বাংলাদেশ
IEB স্বীকৃত ডিপার্টমেন্ট:
সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং (CE)
৩১। ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (UIU)
ঠিকানা: ঢাকা, বাংলাদেশ
IEB স্বীকৃত ডিপার্টমেন্ট:
ইলেকট্রিকাল এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (EEE)
কম্পিউটার সাইন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (CSE)
৩২। ইউনিভার্সিটি অফ এশিয়া প্যাসিফিক (UAP)
ঠিকানা: ঢাকা, বাংলাদেশ
IEB স্বীকৃত ডিপার্টমেন্ট:
ইলেকট্রিকাল এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (EEE)
কম্পিউটার সাইন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (CSE)
সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং (CE)
৩৩। ইউনিভার্সিটি অফ লিবারেল আর্টস বাংলাদেশ (ULAB)
ঠিকানা: ঢাকা, বাংলাদেশ
IEB স্বীকৃত ডিপার্টমেন্ট:
কম্পিউটার সাইন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (CSE)
ইলেকট্রনিক এন্ড টেলিকম্যুনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং (ETE)
02 অক্টোবর 2023 করেছেন Labib Uzzaman
ভ্যান অ্যালেন বেল্ট
স্যার Van Allen পৃথিবীবাসীর কাছে গবেষনালব্ধ ফলাফল প্রকাশ করে বলেন যে, আমাদের পৃথিবী পৃষ্ঠের নীচে একটি অত্যন্ত শক্তিশালী Magnetic field আছে যা আমাদের বায়ুমণ্ডলের চারপাশে একটি বেল্টের মতো বলয় সৃষ্টি করেছে, পরবর্তীতে আরো অনেক গবেষণার মাধ্যমে বিজ্ঞানীগণ এ বিষয়ে নিশ্চিত হন। স্যার Van Allen-এর নামানুসারে এ বলয়ের নামকরণ হয় “Van Allen belt”। জীবনের অবিরাম গতিধারা বজায় রাখার জন্য পৃথিবীকে ঘিরে যে বায়ুমণ্ডল রয়েছে তা বেশ গুরত্বপূর্ণ কাজ করে যা‪চ্ছে। যখন ছোট-বড় বহু উল্কা পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসে, তখন বায়ুমণ্ডল এদের বেশিরভাগকেই ভূপৃষ্ঠে পতিত হতে দেয় না। এভাবে পৃথিবীর জীবজগতকে উল্কা পতনের ক্ষতিকর দিক থেকে বাঁচিয়ে দেয় বায়ুমণ্ডল। তা ছাড়া মহাশূণ্য থেকে জীবিত বস্তু সমূহের জন্য ক্ষতিকর যে রশ্মি নির্গত হয় তাকে ফিল্টার করে বা ছেঁকে শোধন করে বায়ুমন্ডল। কৌতুহলের ব্যাপারটি হলো এই যে, যেসব রশ্মিসমূহ জীবের জন্য ক্ষতিকর নয়, বরং উপকারী; যেমন- সূর্যের আলো, Near Ultraviolet Ray, বেতার তরঙ্গকেই বায়ুমণ্ডল অতিক্রম করতে দেয়। এ সমস্ত রশ্মি জীবনের জন্য অতি প্রয়োজনীয়। Ultraviolet Ray, যেটি কিনা কেবল আংশিকভাবে বায়ুমণ্ডল কর্তৃক আসতে পারে, তা উদ্ভিদের সালোক সংশ্লেষণ আর সমস্ত জীবসমূহের টিকে থাকার জন্য অত্যন্ত গুরত্বপূর্ণ। সূর্য থেকে যে অতি গাঢ় আল্ট্রভায়োলেট রশ্মি নির্গত হয়, তা বায়ুমন্ডলের ওযোন স্তর দিয়ে ফিল্টার হয়; এভাবে আল্ট্রাভায়োলেট রশ্মির অত্যন্ত সীমিত আর অতি প্রয়োজনীয় অংশ ভূপৃষ্ঠে এসে পোঁছে। বায়ুমন্ডলের সুরক্ষার কাজ এখানেই শেষ হয়না, মহাশূণ্যের প্রায় -২৭০০ সেলসিয়াসের মতো বরফ ঠাণ্ডা তাপমাত্রা থেকেও বায়ুমন্ডল পৃথিবীকে রক্ষা করে থাকে।
সূর্যে প্রতি মিনিটে বিস্ফোরণের ফলে নির্গত শক্তি যে কি পরিমাণ ক্ষমতা রাখে তা আমাদের কল্পনাতীত। এর একটিমাত্র বিস্ফোরণ হিরোশিমায় পতিত ১০০বিলিয়ন এটম বোমার সমতুল্য। বায়ুমণ্ডলের ভ্যান অ্যালেন বেল্টের জন্য এই শক্তির ক্ষতিকর দিক থেকে মহাবিশ্ব নিরাপদ রয়েছে। মানব জীবনের জন্য পূর্ণাঙ্গ সামঞ্জস্যপূর্ণ করে সৃষ্ট পৃথিবী থেকে বায়ুমণ্ডলের বাইরে মহাশূণ্যে যদি আমরা সরে যাই, তবে প্রচন্ড বরফ শীতল ঠাণ্ডার কবলে পড়বো। পৃথিবীর ম্যাগনেটিক ফিল্ড দ্বারা তৈরী ম্যাগনেটোস্ফিয়ার স্তর পৃথিবীকে মহাশূণ্যজাত বস্তুর ক্ষতিকর কসমিক রশ্মি এবং কণাসমূহ থেকে নিরাপদে রাখার জন্য বর্ম হিসেবে কাজ করে। পৃথিবী থেকে সহস্র সহস্র কিলোমিটার উপরে অবস্থিত এই বেল্টটি মারাত্মক ক্ষতিকর শক্তি থেকে পৃথিবীর জীব জগৎকে রক্ষা করে যা‪চ্ছে, নচেৎ মহাশূণ্য থেকে ভয়ানক এই শক্তি পৃথিবীতে এসে পৌঁছাত। এ সমস্ত বৈজ্ঞানিক তথ্যাদি প্রমাণ করে যে, বিশেষ এক পদ্ধতিতে পৃথিবী নিরাপদ রয়েছে।
ভ্যান এলেন বেল্ট যদি না থাকতো তবে সূর্যের ভেতরে ঘন ঘন সংঘঠিত বিশাল বিস্ফোরনের শক্তি যা Solar Flare নামে পরিচিত তা পৃথিবীর সমগ্র প্রাণী জগতকে ধ্বংস করে দিতো। আমাদের জীবনের জন্য ভ্যান এলেন বেল্টের গুরত্বের কথা বলতে গিয়ে ড. হিউগ রস বলেন, ‘প্রকৃতপক্ষে সৌরজগতের অন্য যে কোন গ্রহের চাইতে আমাদের পৃথিবীর ঘনত্ব অনেক বেশী। বিশাল নিকেল-লৌহ স্তর আমাদের বিশাল ম্যাগনেটিক ফিল্ড-এর জন্য দায়ী। এই ম্যাগনেটিক ফিল্ডটিই ভ্যান এলেন রেডিয়েশন বর্মটি তৈরী করেছে যা রেডিয়েশনজনিত গোলাবর্ষণ থেকে ভূপৃষ্ঠকে রক্ষা করছে। এই বর্ম বা ঢালটি না থাকলে পৃথিবীতে প্রাণের অস্তিত্ব অসম্ভব হয়ে দাঁড়াতো।’
বুধ আরেকটি পর্বতময় গ্রহ যার ম্যাগনেটিক ফিল্ড রয়েছে। এই স্তরের ক্ষমতা পৃথিবীর ভ্যান অ্যালেন বেল্টটির চেয়ে ১০০ গুণ কম। এমনকি শুক্র গ্রহ যেটি আমাদের পাশের গ্রহ যার কোন ভ্যান অ্যালেন বেল্টই নেই। ভ্যান অ্যালেন রেডিয়েশনের এই ঢালটি একমাত্র পৃথিবীর জন্যই সৃষ্টি করা হয়েছে বিশেষরূপে।
02 অক্টোবর 2023 করেছেন Labib Uzzaman
জন্মের পর শিশুর মুখে মধু দেওয়া উচিত নয়।
কারণ, মধুতে Clostridium botulinum নামক ব্যাকটেরিয়া থাকে যা বিষাক্ত endotoxin তৈরি করে।১ বছরের আগে বাচ্চার পরিপাকতন্ত্র বা হজম প্রক্রিয়া ঠিকমতো কাজ করে না এজন্য তাদের ক্ষেত্রে সমস্যা (botulism) দেখা দিতে পারে। তাই মধু খাওয়ার নুন্যতম বয়স ১ বছর হতে হবে
02 অক্টোবর 2023 করেছেন Labib Uzzaman
ইশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের জন্মদিন আজ।
প্রবাদপ্রতিম যুগনায়ক ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ছাড়া অন্য যারা “বিদ্যাসাগর” উপাধি অর্জন করেছিলেন তাঁদের মধ্যে আছেন:―
১) জীবানন্দ বিদ্যাসাগর :— সেই যুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ পণ্ডিত তারানাথ তর্কবাচস্পতি তাঁর পিতা। ২৬ বছর বয়সে বিদ্যাসাগর উপাধি অর্জন করেন জীবানন্দ। ২১৫টিরও বেশি সংস্কৃত গ্রন্থ সম্পাদনার কাজ করেছেন। জীবানন্দ বিদ্যাসাগর বাংলার বাইরে যাবেন না বলে লাহোর ওরিয়েন্টাল কলেজের অধ্যক্ষের পদ প্রত্যাখ্যান করেছিলেন; আবার জয়পুরের মহারাজা, কাশ্মীরের মহারাজা, এবং নেপাল মহারাজের লোভনীয় সহস্র মুদ্রার চাকরিও সবিনয়ে ফিরিয়ে দিয়েছিলেন।
২) নীলকমল বিদ্যাসাগর :— তৎকালীন রাজশাহী জেলার রঙপুরে জন্ম। কাব্য, ব্যাকরণ, স্মৃতিশাস্ত্রে অগাধ পান্ডিত্য তাঁর ছিল। রচিত গ্রন্থ: কালার্চন চন্দ্রিকা, কৃষিতত্ত্ব, শক্তি ভক্তি, শ্রীশ্রী সরস্বতীপূজা পদ্ধতি।
৩) প্রাণকৃষ্ণ বিদ্যাসাগর :— দক্ষিণ ২৪ পরগণার হরিনাভি গ্রামে জন্ম। ভাইয়ের নাম রামনারায়ণ তর্করত্ন। প্রাণকৃষ্ণ সংস্কৃত কলেজে ব্যাকরণের অধ্যাপক ছিলেন; ‘সমাচার চন্দ্রিকা’ পত্রিকার সম্পাদক। রচিত গ্রন্থ: কূলরহস্য, শ্রীশ্রী অন্নপূর্ণা শতকম, ধর্মসভা বিলাস।
৪) রাজীবলোচন বিদ্যাসাগর :— বাংলাদেশের ফরিদপুরে জন্ম। স্মৃতি ও জ্যোতিষশাস্ত্রে পন্ডিত ছিলেন। নড়াইলের জমিদার বংশের কুলপন্ডিত হিসাবে কাজ করতেন।
৫) শশিশেখর বিদ্যাসাগর :— ফরিদপুরের কোটালিপাড়ার বাসিন্দা (আদি সংস্করণ অনুযায়ী) ১৫৯ খন্ডে অভাবনীয় মহাভারত-প্রণেতা খ্যাতনামা পন্ডিত হরিদাস সিদ্ধান্তবাগীশ মহাশয়ের পুত্র। বিভিন্ন বিদ্যালয়ে সংস্কৃত শিক্ষক ছিলেন।
৬) হরিহর বিদ্যাসাগর :— নদীয়ার নাকাশিপাড়ায় জন্ম। স্মৃতি শিক্ষা নিয়েছিলেন নিজের পিতা মধুসূদন তর্কপঞ্চাননের কাছে। ভাওয়ালের রাজা রমেন্দ্রনারায়ণের আগ্রহে ঢাকার সারস্বত সমাজের প্রধান অধ্যাপক হন। পরে আন্দুলরাজের চতুষ্পাঠীর শিক্ষক হিসেবে কাজ করেন।
৭) হরানন্দ বিদ্যাসাগর :— দক্ষিণ ২৪ পরগনার মজিলপুরে জন্ম। তাঁর পুত্র শিবনাথ শাস্ত্রী স্বনামধন্য ব্যক্তি। হরানন্দ বাল্মিকী রামায়ণের অনুবাদক। জনহিতকর কাজের পাশাপাশি জজপণ্ডিতের কাজ করতেন।
02 অক্টোবর 2023 করেছেন Labib Uzzaman
ফ্রিজ হল এক প্রকার হিট পাম্প । তাপগতিবিদ্যার মূল সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এটি দুটি বিভিন্ন তাপমাত্রার মধ্যে (source and sink) কাজ করে।
এখানে ফ্রিজের ভেতরটা হল source(নিম্ন তাপমাত্রার) এবং ঘরের আয়তন হল sink(উচ্চ তাপমাত্রার).
ফ্রিজএর দরজা বন্ধ থাকার সময় বৈদুতিক শক্তির সাহায্যে ফ্রিজের ভেতরের তাপ বাইরে ঘরের মধ্যে চালান করা হয় । সেজন্য ফ্রিজের ভেতরকার অংশ ঠান্ডা থাকে ।
ফ্রিজের দরজা খোলা রাখলে ফ্রিজটি ঘরের তাপ নিয়ে ঘরেই ছাড়তে শুরু করে। অনেকটা recycle করার মত।
মাঝখান থেকে শুধুমাত্র ফ্রিজের কমপ্রেসার চলার দরুন যে বিদ্যুত শক্তি ব্যায় হয়, সেটা তাপে পরিণত হয়ে ঘরেই ছড়িয়ে পড়ে ।
সুতরাং, ঘরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়।
02 অক্টোবর 2023 করেছেন Labib Uzzaman
নিউট্রনের অপার মহিমা----------------

ছোটবেলায় যখন পরমানু চিনতে শুরু করেছি ঠিক তখন থেকে ভাবতাম
"প্রোটন ও ইলেকট্রনের তো চার্জ আছে কিন্তু নিউট্রনের ত কোনো চার্জ নেই । এরপরও এটি কেন দরকার ? এটি না থাকলে কি হত ?মনে হত এটি ত অকেজো। "

এসব বিষয় মাথায় সব সময় ঘুরপাক খেত ।তাই আজকের এই বিষয়টি নিয়ে কিছু লেখার চেষ্টা করবো । আশা করি যাদের মনে এই প্রশ্নটা ঘুরে তারা কিছুটা হলেও উপকৃত হবে। তাহলে শুরু করা জাক ।

আমরা জানি পরমানুতে ইলেকট্রন , প্রোটন , নিউট্রন থাকে । এছাড়া এতে বিভিন্ন ধরনের অস্থায়ী মূল কনিকা থাকে । যেমন ঃ মেসন , পাইওন ইত্যাদি ।

একটি পরমানুর স্থায়ীত্ব নির্ভর করে সবল নিউক্লিয় বল ও তড়িৎ কুলম্ব বলের উপর । সবল নিউক্লিয় বল যদি কুলম্ব বলের চেয়ে বেশি হয় তবেই পরমানু স্থায়ী হয় ।
পরমানুতে ইলেক্ট্রনকে আবদ্ধ রাখতে দরকার হয় তড়িৎ কুলম্ব বলের ।আর এই কুলম্ব বলের জোগান দেয় হল প্রোটন ।

তাই মনে হতে নিউট্রন ছাড়াই পরমানু তৈরি করা যাবে । কিন্তু বাস্তবে তা সম্ভব নয় । কারন নিউক্লিয়াসে যে প্রোটন থাকে তার চার্জ ধনাত্বক । বেশি পরিমান প্রোটন একত্রে রাখলে এরা সমধর্মী হওয়ার কারনে একে অপরকে বিকর্ষণ করবে । যার ফলে পরমানুর নিউক্লিয়াস ভেঙ্গে যাবে।
তাই পরমানুর নিউক্লিয়াসে অধিক সংখ্যক পরমানুকে ধরে রাখার জন্য প্রয়োজন আলাদা কোনো বল । এই বলই হল সবল নিউক্লিয় বল ।
যার ফলে প্রোটনগুলি একত্রে থাকতে পারে। এই বল তৈরি হয় নিউক্লিয়াসে থাকা কনিকাগুলির ফলে । গ্লুওন ও মেসন কনার আদান প্রদানের ফলে তৈরি হয় মহাবিশ্বের সব চেয়ে শক্তিশালী বল । যার নাম সবল নিউক্লিয় বল ।

তাহলে বুঝা জাচ্ছে প্রোটনের কাজ হল ২ টি । একটি হল কুলম্ব বলের প্রভাবে বিকর্ষণ ও অন্যটি হল সবল নিউক্লিয় বলের যোগান দেওয়া ।
প্রোটনের সংখ্যা বাড়লে কুলম্ব বল বাড়ে কিন্তু সবল নিউক্লিয় বলের মান কমতে থাকে । কারন সবল নিউক্লিয় বলের রেঞ্জ খুবই সামান্য। ফলে এক সময় নিউক্লিয়াসের ভাঙ্গন দেখা যায় । এখন প্রোটনের পাশাপাশি যদি নিউট্রনও থাকে তবে নিউক্লিয়াসে চার্জের বৃদ্ধি হবে না ।কারন নিউট্রনের চার্জ শূন্য । কিন্তু নিউট্রনের আছে গ্লুওন । যার ফলে নিউট্রনের উপস্থিতিতে সবল নিউক্লিয় বলের যোগান বাড়ে । ফলে পরমানু স্থায়ী হয়।এতে অনেকেই মনে করতে পারেন নিউট্রন আর প্রোটন ইচ্ছা মত বাড়ালেই পরমানু স্থায়ী হবে । কিন্তু এরকম হবে না । কারন একসময় কুলম্ব বল এতোই বেড়ে যায় যে সবল নিউক্লিয় বল তাকে অতিক্রম করতে পারে না ।

অনেকে বলতে পারেন দুরত্ব বাড়লে ত কুলম্ব বল কমার কথা । কিন্তু তা হয় না কারন দুরত্বের সাথে সাথে চার্জও বাড়ছে । আর সবল নিউক্লিয় বল দুরত্ব বাড়ার সাথে সাথে অনেক বেশি পরিমানে কমে যায় । যদিও ধরে নেই কুলম্ব বল দুরত্ব বাড়ার সাথে সাথে কমে যায় । কিন্তু এই কমার পরিমান সবল নিউক্লিয় বল কমার তুলনায় খুবই কম। যার ফলে পরমানু তার স্থায়িত্ব হারায় ।এ জন্য দেখা যায় ৮৩ এর বেশি পারমানবিক সংখ্যা যুক্ত পরমানুগুলি তেজস্ক্রিয় হয় ও এরা ভেঙ্গে গিয়ে ছোট পরমানুতে পরিনত হয় ।

তাই বুঝা যায় পরমানু গঠনের জন্য নিউট্রনেরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আছে । আশা করি বিষয়টি বুঝাতে পেরেছি ।
01 অক্টোবর 2023 করেছেন Labib Uzzaman

Badges

Bronze

100 Club x 1
Verified Human x 1
Regular x 1
Reader x 1
Editor x 1
Visitor x 1
Answerer x 1
Gifted x 1
Grateful x 1
Voter x 1
Dedicated x 1
Notable Question x 7

Silver

Old-Timer x 1
Avid Reader x 1
1,000 Club x 1
Lecturer x 1
Trouper x 1
Popular Question x 7

Gold

Ancestor x 1
Preacher x 1
...