সদস্যঃ Fahimuzzaman Fahim - ScienceBee প্রশ্নোত্তর

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির প্রশ্নোত্তর দুনিয়ায় আপনাকে স্বাগতম! প্রশ্ন-উত্তর দিয়ে জিতে নিন পুরস্কার, বিস্তারিত এখানে দেখুন।

সদস্যঃ Fahimuzzaman Fahim

Fahimuzzaman Fahim এর ওয়াল

এই ওয়ালে পোস্ট করতে চাইলে দয়া করে লগ ইন করুন কিংবা নিবন্ধিত হউন
বিগব্যাং এর পর থেকে মহাবিশ্বের প্রসারণ দিন দিন বেড়েই চলছে। প্রসারণ মহাবিশ্ব সম্পর্কে ফ্রিডম্যানের মডেল থেকে সম্ভাব্য তিনটি সমাধান পাওয়া যায়। তার মধ্যে দ্বিতীয় সম্ভাব্য মডেলটি হচ্ছে যদি গড় ঘনত্ব সঙ্কট মানের চেয়ে কম হয়, তাহলে প্রসারণ বন্ধ করার মতো যথেষ্ট মহাকর্ষীয় আকর্ষন থাকবে না।। কিন্ত বিজ্ঞানীরা এখনো মহাবিশ্বের গড় ঘনত্ব বের করতে পারে নি। মহাবিশ্ব কি এভাবেই চিরকার প্রসারিত হতে থাকবে?
আগেই ফ্রিডম্যানের দ্বিতীয় সম্ভাব্য মডেল উল্লেখ করেছি, যেটি দ্বারা প্রমানিত হয়, মহাবিশ্ব চিরকার প্রসারিত হতে থাকবে। এছাড়াও আরেকটি তত্ত্ব রয়েছে যার দ্বারা দৃঢ় ভাবে প্রমানিত হয় মহাবিশ্ব চিরকাল প্রসারিত হতে থাকবে। আমরা জানি, মহাবিশ্বে সাধারণ ম্যাটার ৫ শতাংশ এবং বাকি ৯৫% ডার্ক ম্যাটার বা ডার্ক এনার্জি। এখন, এই ৫ শতাংশ বা এই ৯৫% শতাংশ মহাবিশ্বের প্রসারণ রোধ করার জন্য প্রয়োজনীয় ভরের অনেক অনেক কম। তাই বলা যায়, মহাবিশ্ব চিরকাল প্রসারিত হতে থাকবে।
কিন্ত মহাবিশ্বের কি কখনো মৃত্যু হবে না?
হ্যা, মহাবিশ্বের একদিন মৃত্যু হবে। কিভাবে?
এর জন্যে জানতে হবে, গতিবিদ্যার দ্বিতীয় সূত্রে,
একবার ভেবে দেখেছেন কি! কেন একটা জিনিস ভেংে গেলে সেটা আর জোরা লাগানো যায় না বা আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা যায় না?
এটা আসলে গতিবিদ্যার ২য় সূত্রের জন্য হয়। এই গতিসূত্র অনুযায়ী বিশৃংখলা (এন্ট্রোপি) এবং তাপমাত্রা সময়ের সাথে বাড়তে থাকে। তাই জিনিসটি তার সুন্দরতম অবস্থা থেকে ভাংা জিনিসে রুপান্তরিত হওয়াতে বিশৃংখল অবস্থায় বিরাজমান করেছে অর্থাৎ এন্ট্রোপি বেড়েছে।
এন্ট্রোপি কি?
সহজ কথায় এন্ট্রোপি হলো মহাবিশ্বের বিশৃংখলার পরিমাণ।
যেহেতু বিশ্বের প্রধান উপাদাগুলো হলো নীহারিকা, গ্যালাক্সি,তারকা এগুলো জন্মের প্রায় দশহাজার কোটি বছর পরে এরা এদের জীবনের চূড়ান্ত অবস্থায় পৌছাবে। সকল নক্ষত্র এবং কিছু নক্ষত্র সুপারনোভা বিষ্ফোড়নের পরে শ্বেত বামন,নিউট্রন নক্ষত্র বা কৃষ্ণবিবরে পরিণত হবে। নক্ষত্রগুলো শ্বেত বামন বা ব্লাকহোলে পরিনত হওয়ার পর নিউক্লিয় ফিউশন বিক্রয়া ঘটানোর জন্য যথেষ্ট পরিমাণে জ্বালানী থাকে না ফলে নক্ষত্রের মৃত্যু ঘটে। প্রোটন ক্ষয় তত্ত্ব অনুযায়ী নাক্ষত্র শুধু কৃষ্ণগহ্বর অবশেষ হিসাবে থেকে যাবে। সেগুলো একসময় হকিং বিকিরণে শুরু করবে এভাবে ১০^১০০ বছর পরে ব্লাকহোলেরাও তাদের সমস্ত ভর হারিয়ে ফেলবে । কোন ব্লাকহোলও আর থাকবে না ।শেষপর্যন্ত মহাবিশ্বের সবজায়গায় তাপমাত্রা একই হয়ে যাবে, আর কোন কাজ করা যাবে না।এসময় মহাবিশ্বের তাপমাত্রা পরম শূন্যের তাপমাত্রায় নেমে আসবে ।আর কোন এনট্রপিও বাড়বে না। এতে করে মহাবিশ্বের তাপীয় মৃত্যুর সাথে এনট্রোপির মৃত্যুও ঘটবে।
মহাবিশ্বের তাপীয় মৃত্যুর কথা প্রথম উইলিয়াম থমসন (কেলভিন) ১৮৫০ খ্রিস্টাব্দে বলেছিলেন এবং
১৮৫২ খ্রিস্টাব্দে ধারণা প্রকাশ করেন।
সোর্স ঃ গুগল।

লেখাঃ
ফাহিমুজ্জামান,
নবম শ্রেণী
05 জুন 2020 করেছেন Fahimuzzaman Fahim

Badges

Bronze

100 Club x 1
Reader x 1
Verified Human x 1
Photogenic x 1
Voter x 1
Nice Answer x 1

Silver

Avid Reader x 1

Gold

Devoted Reader x 1
...