আমাদের রাগ কেন হয়? - ScienceBee প্রশ্নোত্তর

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির প্রশ্নোত্তর দুনিয়ায় আপনাকে স্বাগতম! প্রশ্ন-উত্তর দিয়ে জিতে নিন পুরস্কার, বিস্তারিত এখানে দেখুন।

+2 টি ভোট
178 বার দেখা হয়েছে
"স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা" বিভাগে করেছেন (320 পয়েন্ট)

4 উত্তর

+1 টি ভোট
করেছেন (4,930 পয়েন্ট)
রাগ করার জন্য অনেকগুলি সাধারণ ট্রিগার রয়েছে যেমন আপনার ধৈর্য হারাতে, আপনার মতামত বা প্রচেষ্টা প্রশংসা না করা এমন অনুভূতি এবং অন্যায়। রাগের অন্যান্য কারণগুলির মধ্যে ট্রমাজনিত বা উদ্বেগজনক ঘটনার স্মৃতি এবং ব্যক্তিগত সমস্যা সম্পর্কে উদ্বেগ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

আপনার নিজের থেকে অন্যদের এবং আপনার চারপাশের বিশ্বের কাছ থেকে কী আশা করাতে শেখানো হয়েছিল তার উপর ভিত্তি করে আপনার অনন্য ক্রোধের ট্রিগার রয়েছে। আপনার ব্যক্তিগত ইতিহাস ক্রোধের জন্য আপনার প্রতিক্রিয়াগুলিও ফিড করে। উদাহরণস্বরূপ, যদি আপনাকে রাগকে যথাযথভাবে কীভাবে প্রকাশ করতে হয় তা শেখানো না হয়, আপনার হতাশাগুলি আপনাকে আরও কৃপণ করে তুলবে এবং আপনি ক্রোধে ফেটে যাওয়ার আগ পর্যন্ত গড়ে তুলতে পারেন।

উত্তরাধিকারী প্রবণতা, মস্তিষ্কের রসায়ন বা অন্তর্নিহিত চিকিতৎসা শর্তগুলিও ক্রুদ্ধ ক্ষোভের দিকে আপনার প্রবণতায় ভূমিকা রাখে
0 টি ভোট
করেছেন (420 পয়েন্ট)

রাগের বহিঃপ্রকাশের কারন যখন শারীরিক কোনো কষ্ট বা যন্ত্রণার অনুভূতি থেকে হয় তখন তাকে ফিজিক্যাল অ্যাঙ্গার হিসেবে ধরা যেতে পারে । যেমন ধরো , খুব খিদে পেয়েছে তখন হাতের কাছে খাবার না পেয়ে রাগ ওঠে যায় এবং আচরণে তার বহিঃপ্রকাশ পায় , সেটা আসলে ফিজিক্যাল অ্যাঙ্গারের বিষয় । শিশুদের ক্ষেত্রে এই ফিজিক্যাল অ্যাঙ্গার এর লক্ষণ বেশি প্রকাশ পায় ।

মানসিক অসন্তুষ্টি , দীর্ঘদিনের ইচ্ছের বিরুদ্ধে অনবরত কাজ করে চলা , আকাঙ্খার অতৃপ্তি, গ্রহনযোগ্যতা বা মান্যতার অভাবের কারনে আমাদের মধ্যে এইধরনের রাগের প্রবনতা আরও বাড়তে থাকে । এই ধরনের রাগের সাথে বোঝাপড়া করা একটু কঠিন হয়ে যায় আমাদের জীবনে । আর কখনো কখনো এটা মারাত্মক আকার ধারণ করে । সাইকোলজিক্যাল অ্যাঙ্গারের উৎস হিসেবে ধরা যেতে পারে এই নিম্নলিখিত বিষয়গুলিকে –

ক। ভয়

খ। হতাশা 

গ। অপরাধবোধ 

ঘ। হীনমন্যতা 

ঙ। অহংবোধ

চ। অর্থনৈতিক টানাপোড়েন

ছ। ঈর্ষা

জ। সামাজিক মর্যাদা 

ঝ। মাদকাসক্তি

0 টি ভোট
করেছেন (109,520 পয়েন্ট)
0 টি ভোট
করেছেন (133,740 পয়েন্ট)

মানুষ বিভিন্ন অনুভূতির মিশ্রণ দিয়ে গড়া । রাগও তেমনি একপ্রকার মানবীয় অনুভূতি। আবেগ অনুভূতির উপর নিয়ন্ত্রণ খুব কম মানুষেরই থাকে। রাগ ওঠা অস্বাভাবিক কিছু নয়, কিন্তু কখনো কখনো রাগের বশবর্তী হয়ে মানুষ এমনকিছু কাজ করে ফেলে যা মুহূর্তেই নষ্ট করে দেয় দুটো মানুষের সুন্দর সম্পর্ককে । এর ফলে অনেক সর্বনাশা দুর্ঘটনাও ঘটে যায় । মাত্রাতিরিক্ত রাগ শুধু সুন্দর সম্পর্ককেই নষ্ট করে না এর ফলে নানা শারীরিক সমস্যাও দেখা দিতে পারে । যেমন – ব্লাড প্রেসার , মেন্টাল ডিসওর্ডার , ADHD ইত্যাদি। সুতরাং সবধরনের ক্রোধকে বা রাগকে নিয়ন্ত্রন করা দরকার ।

প্রথমেই জানতে হবে রাগের কারনগুলি কী কী হতে পারে ? তারপর তা কমানোর জন্য উপায় বের করতে হবে আমাদের । রাগ করলে যতটা না অন্যের ক্ষতি করে তারচেয়ে অধিক ক্ষতি হয় আমাদের নিজেদের । রাগের কারনে আমরা শারীরিক ও মানসিক দুই ভাবেই ধ্বংস হতে থাকি । তার প্রভাব পড়ে আমাদের কর্মজীবনে তথা পারিবারিক জীবনে। আমার মতে, রাগ দুটো ফর্মে প্রকট হয়ে থাকে ।

I) ফিজিক্যাল অ্যাঙ্গার ।

II) সাইকোলজিক্যাল অ্যাঙ্গার ।

যদিও রাগকে এইভাবে ভাগ করা হয় নি , বিষয়টি বোঝানোর জন্য আমি এভাবে বিশ্লেষণ করেছি , এটা আমার ব্যক্তিগত ধারণা ।

ফিজিক্যাল অ্যাঙ্গার :-

রাগের বহিঃপ্রকাশের কারন যখন শারীরিক কোনো কষ্ট বা যন্ত্রণার অনুভূতি থেকে হয় তখন তাকে ফিজিক্যাল অ্যাঙ্গার হিসেবে ধরা যেতে পারে । যেমন ধরো , খুব খিদে পেয়েছে তখন হাতের কাছে খাবার না পেয়ে রাগ ওঠে যায় এবং আচরণে তার বহিঃপ্রকাশ পায় , সেটা আসলে ফিজিক্যাল অ্যাঙ্গারের বিষয় । শিশুদের ক্ষেত্রে এই ফিজিক্যাল অ্যাঙ্গার এর লক্ষণ বেশি প্রকাশ পায় । আবার এই ধরনের রাগ তাড়াতাড়ি ওঠে এবং নেমেও যায় । 

সাইকোলজিক্যাল অ্যাঙ্গার :- 

 যা আমাদের মানসিক কারণে হয়ে থাকে । মানসিক অসন্তুষ্টি , দীর্ঘদিনের ইচ্ছের বিরুদ্ধে অনবরত কাজ করে চলা , আকাঙ্খার অতৃপ্তি, গ্রহনযোগ্যতা বা মান্যতার অভাবের কারনে আমাদের মধ্যে এইধরনের রাগের প্রবনতা আরও বাড়তে থাকে । এই ধরনের রাগের সাথে বোঝাপড়া করা একটু কঠিন হয়ে যায় আমাদের জীবনে । আর কখনো কখনো এটা মারাত্মক আকার ধারণ করে । সাইকোলজিক্যাল অ্যাঙ্গারের উৎস হিসেবে ধরা যেতে পারে এই নিম্নলিখিত বিষয়গুলিকে –

ক। ভয়

খ। হতাশা 

গ। অপরাধবোধ 

ঘ। হীনমন্যতা 

ঙ। অহংবোধ

চ। অর্থনৈতিক টানাপোড়েন

ছ। ঈর্ষা

জ। সামাজিক মর্যাদা 

ঝ। মাদকাসক্তি

ঞ। আকাঙ্ক্ষার অতৃপ্তি

ট। মতাদর্শের পার্থক্য ইত্যাদি।

ক্রেডিট: প্রেরণাজীবন

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

+2 টি ভোট
1 উত্তর 68 বার দেখা হয়েছে
+3 টি ভোট
3 টি উত্তর 153 বার দেখা হয়েছে
03 মে "স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Ubaeid Hasan (25,960 পয়েন্ট)
+5 টি ভোট
1 উত্তর 181 বার দেখা হয়েছে
02 ফেব্রুয়ারি "স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন মেহেদী হাসান (133,740 পয়েন্ট)
+3 টি ভোট
1 উত্তর 47 বার দেখা হয়েছে
13 জুলাই "লাইফ" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন মেহেদী হাসান (133,740 পয়েন্ট)
+8 টি ভোট
2 টি উত্তর 194 বার দেখা হয়েছে
23 জানুয়ারি "তত্ত্ব ও গবেষণা" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন noshin mahee (109,520 পয়েন্ট)

7,697 টি প্রশ্ন

9,646 টি উত্তর

4,367 টি মন্তব্য

64,080 জন সদস্য

79 জন অনলাইনে রয়েছে
4 জন সদস্য এবং 75 জন গেস্ট অনলাইনে
  1. Ismot Rahman

    7110 পয়েন্ট

  2. Hojayfa Ahmed

    5330 পয়েন্ট

  3. Abdullah Shuvo

    1250 পয়েন্ট

  4. Prantik Sarder

    850 পয়েন্ট

  5. Fakid Khan

    780 পয়েন্ট

বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় উন্মুক্ত বিজ্ঞান প্রশ্নোত্তর সাইট সায়েন্স বী QnA তে আপনাকে স্বাগতম। এখানে যে কেউ প্রশ্ন, উত্তর দিতে পারে। উত্তর গ্রহণের ক্ষেত্রে অবশ্যই একাধিক সোর্স যাচাই করে নিবেন। অনেকগুলো, প্রায় ২০০+ এর উপর অনুত্তরিত প্রশ্ন থাকায় নতুন প্রশ্ন না করার এবং অনুত্তরিত প্রশ্ন গুলোর উত্তর দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। প্রতিটি উত্তরের জন্য ৪০ পয়েন্ট, যে সবচেয়ে বেশি উত্তর দিবে সে ২০০ পয়েন্ট বোনাস পাবে।


Science-bee-qna

সর্বাপেক্ষা জনপ্রিয় ট্যাগসমূহ

মানুষ পানি এইচএসসি-উদ্ভিদবিজ্ঞান ঘুম এইচএসসি-প্রাণীবিজ্ঞান রোগ চোখ - জীববিজ্ঞান পৃথিবী শরীর এইচএসসি-আইসিটি মোবাইল কী ক্ষতি রক্ত চিকিৎসা চুল আলো মাথা কারণ উপকারিতা গরম প্রাণী বৈজ্ঞানিক বৃষ্টি পার্থক্য শীতকাল ডিম খাওয়া কাজ সাপ রং #biology বিদ্যুৎ প্রযুক্তি কেন লাল খাবার রাত সাদা সমস্যা আগুন ভয় সূর্য গাছ হাত মহাকাশ মশা উপায় শক্তি কি #জানতে ব্যাথা পদার্থবিজ্ঞান মাছ বৈশিষ্ট্য পা মনোবিজ্ঞান গণিত দুধ স্বাস্থ্য ঠাণ্ডা রসায়ন #ask গ্রহ কালো শব্দ আম মেয়ে উদ্ভিদ বিজ্ঞান দাঁত স্বপ্ন বাচ্চা নাক মানসিক হলুদ রঙ চাঁদ ঔষধ বাতাস আবিষ্কার ভাইরাস বিড়াল পাতা বিস্তারিত চার্জ ফোবিয়া হরমোন ত্বক তাপমাত্রা মন পাখি চা নখ জন্ম পাকা মৃত্যু কুকুর
...